সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
ছাড়পত্র একটি সমাসবদ্ধ পদ। ছাড়ার নিমিত্ত বা জন্য পত্র ,পঞ্চমী/অপাদান তৎপুরুষ সমাস l
Related Questions
ছেলেধরা একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো: ছেলেকে ধরে যে। এখানে 'ছেলে' হলো কর্মকারক এবং 'ধরা' হলো কৃদন্ত পদ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলে এবং উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।
যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।
'পাপে বিরত থাকো' - অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি । হতে, থেকে - থাকলে অপাদান কারক হয়। আবার যা থেকে কিছু বিচ্যুত , গৃহীত , জাত, বিরত, আরম্ভ , দূরীভূত রক্ষিত ও ভীত প্রকাশক বাক্য অপাদান কারক হয়।
‘নি’ প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
জেলে-জেলেনি,
বেদে-বেদেনি,
ধােপ-ধােপানি।
বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: সম্রাট- সম্রাজ্ঞী, রাজা-রাণী, যুবক-যুবতী, শ্বশুর-শ্বশ্রূ, নর-নারী, বন্ধু-বান্ধবী, দেবর- জা, শিক্ষক- শিক্ষয়িত্রী, স্বামী-স্ত্রী, পতি-পত্নী, সভাপতি-সভানেত্রী।
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: পেত্নী
'মানব' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় 'মনু + ষ্ণ' । এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।এরুপ - যাদব (যদু + ষ্ণ) , শৈশব (শিশু + ষ্ণ) , কৈশোর (কিশোর + ষ্ণ) ।
‘চতুষ্পদ’ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ বজায় থাকে, কিন্তু যদি শ, ষ, স, ট, ঠ, ত, থ থাকে তবে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ, ষ, স হয়। এখানে 'চতুঃ' (বিসর্গ) এর পর 'পদ' (প) থাকায় বিসর্গটি 'ষ' তে পরিবর্তিত হয়ে 'চতুষ্পদ' হয়েছে। তাই সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো চতুঃ + পদ।
জব সলুশন