‘চতুষ্পদ' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
‘চতুষ্পদ’ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ বজায় থাকে, কিন্তু যদি শ, ষ, স, ট, ঠ, ত, থ থাকে তবে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ, ষ, স হয়। এখানে 'চতুঃ' (বিসর্গ) এর পর 'পদ' (প) থাকায় বিসর্গটি 'ষ' তে পরিবর্তিত হয়ে 'চতুষ্পদ' হয়েছে। তাই সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো চতুঃ + পদ।
Related Questions
'স্বায়ত্ত' (স + আয়ত্ত) বানানটি শুদ্ধ l অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভ্রান্তিকর যে রূপটি দেখা যায় তা হলো 'স্বায়ত্ব'। কিন্তু প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক রূপটি স্বায়ত্ত l যেমন: স্বায়ত্তশাসন
বাক্যের সম্বোধন পদের পর সাধারণত কমা (, ) বসে l যেমন: রহিম, এদিকে এসো। মা, আমি স্কুলে যাচ্ছি।
সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা যার কোন ভূমিকা নেই।
'জায়া' শব্দের সমার্থক শব্দ 'অর্ধাঙ্গী' । এরুপ -ভার্যা , পত্নী , বধূ, বউ , গৃহিনী , গিন্নি, ঘরণি, বিবি, বেগম,পরিবার।
- কন্যার সমার্থক শব্দ নন্দিনী, মেয়ে , তনয়া, দুহিতা, ঝি, বেটি ।
- 'ভগিনী' শব্দে সমার্থক হলো বোন।
আবির্ভাব' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো প্রত্যক্ষীকরণ, প্রকাশ, উদয় বা সামনে আসা।
- এর বিপরীত শব্দটি হলো 'তিরোভাব', যার অর্থ অদৃশ্য হওয়া, অন্তর্ধান, লুকিয়ে পড়া বা চক্রের আড়ালে চলে যাওয়া।
- প্রদত্ত অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে 'অভাব' অর্থ অনটন বা শূন্যতা।
- 'স্বভাব' অর্থ প্রকৃতি বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
- 'অনুভাব' অর্থ যা ভাব বা অনুভূতিকে প্রকাশ করে।
- সুতরাং, অর্থের বিচারে 'আবির্ভাব' -এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'তিরোভাব'।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ: পাউরুটি, আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, পেয়ারা, আতা, আলপিন, আলকাতরা, আলমারি, কেদারা, কামরা, কেরানী, গুদাম, জানালা, পাদ্রি, ইংরেজ, তোয়ালে ইত্যাদি।
জব সলুশন