'আমার দেখা নয়াচীন' কে লিখেছেন?

ক) মাওলানা ভাসানী
খ) আবুল ফজল
গ) শহীদুল্লা কায়সার
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

'আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।

Related Questions

ক) মনসামঙ্গল
খ) মনসাবিজয়
গ) পদ্মাপুরাণ
ঘ) পদ্মাবতী
Note :

মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত - এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য।

ক) বেগম রোকেয়া
খ) কাদম্বরী দেবী
গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ঘ) নুরুন্নাহার ফয়জুননেসা
Note :

১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়। ইতিপূর্বে ১৮৫২ সালে হানা ক্যাথরিন মুলেনস তার ফুলমণি ও করুণার বৃত্তান্ত প্রকাশ করে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিকের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।; কিন্তু স্বর্ণকুমারী দেবীই ছিলেন প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক

ক) ১৮৬০
খ) ১৮৬১
গ) ১৮৬৫
ঘ) ১৮৬৭
Note :

- দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মোঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এই উপন্যাস রচিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও এটি অনূদিত হয়।

- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুন্ডুলা, চন্দ্রষেখর ও রাজসিংহ বঙ্কিমের চারটি ইতিহাস আশ্রয়ী রোমান্সধর্মী উপন্যাস। তার মধ্যে রাজসিংহ খাঁটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস:
- যুগলাঙ্গুরীয়
- দুর্গেশনন্দিনী
- কপালকুন্ডলা
- চন্দ্রশেখর
- মৃণালিনী
- কৃষ্ণকান্তের উইল
- সীতারাম
- রজনী ইত্যাদি।

ক) তেজি কুমিরকে রুখে দেওয়া
খ) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
গ) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
ঘ) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
Note :

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥" এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷ পদটির গূঢ়ার্থ হলো: অপরিশুদ্ধ চিত্তে বোধি বা পরমজ্ঞানকে ধারণ করা যায় না। দেহের ইন্দ্রিয়াদি সকল কামনা - বাসনা, আশা আকাঙ্ক্ষাকে বিনাশ করে দেয়।

ক) হিত্তিক ও তুখারিক
খ) তামিল ও দ্রাবিড়
গ) আর্য ও অনার্য
ঘ) মাগধী ও গৌড়
ক) করণ কারক
খ) সম্প্রদান কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

- বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন।
- নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
- আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে।
- তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন