রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?
- বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন।
- নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
- আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে।
- তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।
Related Questions
”নীল লোহিত” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছদ্মনাম।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ২৩ অক্টোবর ২০১২) বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ - পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় "নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়" ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।
-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন - চর্যাপদ।
-১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার হতে এটি উদ্ধার করেন৷
-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২৮ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে "ডি-লিট" উপাধি দেয়।
-১৮৯৮ সালে সরকার কর্তৃক "মহামহোপাধ্যায়" উপাধি লাভ করেন।
-১৯১১ সালে ভারত সরকার তাঁকে "সি আই ই" উপাধি দেয়।
-১৯৩০ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে না, নি, নেই , হে ইত্যাদি নর্থক অব্যয় উঠিয়ে দিতে হয়। শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে বাকো হাঁ - সূচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়। বাক্যের বিশেষণ পদটিকে বিপরীত শব্দে রূপান্তর করতে হয়। এরপর বাক্যের গঠ অনুযায়ী নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ প্রয়োগ করে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। যেমন: তাতে সমাজজীবন চলে না (নেতিবাচক)। তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে (অস্তিবাচক)। সে ক্লাসে উপস্থিত ছিল না। (নেতিবাচক)। সে ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল (অস্তিবাচক)।
জব সলুশন