বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম কী?

ক) বেগম রোকেয়া
খ) কাদম্বরী দেবী
গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ঘ) নুরুন্নাহার ফয়জুননেসা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়। ইতিপূর্বে ১৮৫২ সালে হানা ক্যাথরিন মুলেনস তার ফুলমণি ও করুণার বৃত্তান্ত প্রকাশ করে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিকের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।; কিন্তু স্বর্ণকুমারী দেবীই ছিলেন প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক

Related Questions

ক) ১৮৬০
খ) ১৮৬১
গ) ১৮৬৫
ঘ) ১৮৬৭
Note :

- দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মোঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এই উপন্যাস রচিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও এটি অনূদিত হয়।

- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুন্ডুলা, চন্দ্রষেখর ও রাজসিংহ বঙ্কিমের চারটি ইতিহাস আশ্রয়ী রোমান্সধর্মী উপন্যাস। তার মধ্যে রাজসিংহ খাঁটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস:
- যুগলাঙ্গুরীয়
- দুর্গেশনন্দিনী
- কপালকুন্ডলা
- চন্দ্রশেখর
- মৃণালিনী
- কৃষ্ণকান্তের উইল
- সীতারাম
- রজনী ইত্যাদি।

ক) তেজি কুমিরকে রুখে দেওয়া
খ) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
গ) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
ঘ) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
Note :

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥" এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷ পদটির গূঢ়ার্থ হলো: অপরিশুদ্ধ চিত্তে বোধি বা পরমজ্ঞানকে ধারণ করা যায় না। দেহের ইন্দ্রিয়াদি সকল কামনা - বাসনা, আশা আকাঙ্ক্ষাকে বিনাশ করে দেয়।

ক) হিত্তিক ও তুখারিক
খ) তামিল ও দ্রাবিড়
গ) আর্য ও অনার্য
ঘ) মাগধী ও গৌড়
Note :

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের 'কেন্তুম' (Centum) শাখার অন্তর্গত হিত্তিকতুখারিক (তুখারীয়) এই দুটি প্রধান শাখা এশিয়া মহাদেশে উদ্ভূত বা প্রচলিত ছিল। এই দুটি ভাষার ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো:

হিত্তিক (Hittite): প্রাচীন আনাতোলিয়া বা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন ছিল। এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার প্রাচীনতম লিখিত রূপগুলোর মধ্যে একটি।

তুখারিক (Tocharian): মধ্য এশিয়ার তারিম অববাহিকা (বর্তমান চীনের জিনজিয়াং প্রদেশ) অঞ্চলে এই ভাষাটি ব্যবহৃত হতো। 

ক) করণ কারক
খ) সম্প্রদান কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

- বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন।
- নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
- আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে।
- তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।

ক) স্বরযন্ত্র
খ) ফুসফুস
গ) দাঁত
ঘ) উপরের সবকটি
Note :

ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস ।বাগ্‌যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।

ক) অরুণ মিত্র
খ) সমরেশ বসু
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমররেশ মজুমদার
Note :

”নীল লোহিত” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছদ্মনাম।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ২৩ অক্টোবর ২০১২) বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ - পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্‌ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় "নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়" ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন