কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

ক) হিত্তিক ও তুখারিক
খ) তামিল ও দ্রাবিড়
গ) আর্য ও অনার্য
ঘ) মাগধী ও গৌড়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের 'কেন্তুম' (Centum) শাখার অন্তর্গত হিত্তিকতুখারিক (তুখারীয়) এই দুটি প্রধান শাখা এশিয়া মহাদেশে উদ্ভূত বা প্রচলিত ছিল। এই দুটি ভাষার ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো:

হিত্তিক (Hittite): প্রাচীন আনাতোলিয়া বা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন ছিল। এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার প্রাচীনতম লিখিত রূপগুলোর মধ্যে একটি।

তুখারিক (Tocharian): মধ্য এশিয়ার তারিম অববাহিকা (বর্তমান চীনের জিনজিয়াং প্রদেশ) অঞ্চলে এই ভাষাটি ব্যবহৃত হতো। 

Related Questions

ক) করণ কারক
খ) সম্প্রদান কারক
গ) অপাদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

- বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন।
- নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
- আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে।
- তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।

ক) স্বরযন্ত্র
খ) ফুসফুস
গ) দাঁত
ঘ) উপরের সবকটি
Note :

ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস ।বাগ্‌যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।

ক) অরুণ মিত্র
খ) সমরেশ বসু
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমররেশ মজুমদার
Note :

”নীল লোহিত” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছদ্মনাম।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ২৩ অক্টোবর ২০১২) বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ - পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্‌ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় "নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়" ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।

ক) 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র'
খ) 'ক্ষুধা ও আশা'
গ) 'কর্ণফুলি'
ঘ) 'ধানকন্যা'
Note :

- কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।

ক) পণ্ডিত
খ) বিদ্যাসাগর
গ) শাস্ত্রজ্ঞ
ঘ) মহামহোপাধ্যায়
Note :

-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন - চর্যাপদ।
-১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার হতে এটি উদ্ধার করেন৷

-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২৮ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে "ডি-লিট" উপাধি দেয়। 

-১৮৯৮ সালে সরকার কর্তৃক "মহামহোপাধ্যায়" উপাধি লাভ করেন।

-১৯১১ সালে ভারত সরকার তাঁকে "সি আই ই" উপাধি দেয়। 

-১৯৩০ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন