বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?

ক) স্বরযন্ত্র
খ) ফুসফুস
গ) দাঁত
ঘ) উপরের সবকটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস ।বাগ্‌যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।

Related Questions

ক) অরুণ মিত্র
খ) সমরেশ বসু
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমররেশ মজুমদার
Note :

”নীল লোহিত” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছদ্মনাম।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ২৩ অক্টোবর ২০১২) বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ - পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্‌ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় "নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়" ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।

ক) 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র'
খ) 'ক্ষুধা ও আশা'
গ) 'কর্ণফুলি'
ঘ) 'ধানকন্যা'
Note :

- কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।

ক) পণ্ডিত
খ) বিদ্যাসাগর
গ) শাস্ত্রজ্ঞ
ঘ) মহামহোপাধ্যায়
Note :

-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন - চর্যাপদ।
-১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার হতে এটি উদ্ধার করেন৷

-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২৮ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে "ডি-লিট" উপাধি দেয়। 

-১৮৯৮ সালে সরকার কর্তৃক "মহামহোপাধ্যায়" উপাধি লাভ করেন।

-১৯১১ সালে ভারত সরকার তাঁকে "সি আই ই" উপাধি দেয়। 

-১৯৩০ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ক) তাতে সমাজজীবন চলে ।
খ) তাতে না সমাজজীবন চলে ।
গ) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে ।
ঘ) তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে ।
Note :

নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে না, নি, নেই , হে ইত্যাদি নর্থক অব্যয় উঠিয়ে দিতে হয়। শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে বাকো হাঁ - সূচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়। বাক্যের বিশেষণ পদটিকে বিপরীত শব্দে রূপান্তর করতে হয়। এরপর বাক্যের গঠ অনুযায়ী নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ প্রয়োগ করে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। যেমন: তাতে সমাজজীবন চলে না (নেতিবাচক)। তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে (অস্তিবাচক)। সে ক্লাসে উপস্থিত ছিল না। (নেতিবাচক)। সে ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল (অস্তিবাচক)।

ক) স্রোত
খ) ভেড়া
গ) একত্র
ঘ) ভাসা
Note :

'গড্ডল্' শব্দের অর্থ ভেড়া। সাধারণত ভেড়া অনুকরণপ্রিয় প্রাণী। এদের একজন যেদিকে যায়, অন্যগুলোও বাছবিচার না করে সেদিকেই যায়। গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার অর্থ - অন্ধ অনুকরণ।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন