রাত্রি শেষ’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা ?
"রাত্রিশেষ" আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
এ কাব্যে যৌবনের মোহমুগ্ধতা, প্রেম - ভালোবাসা রূপায়িত হয়েছে।
এ কাব্যের কবিতা হলো - প্রহর, প্রান্তিক, প্রতিভাস, পদক্ষেপ এই চার ভাগে বিন্যস্ত হয়েছে।
মোট কবিতার সংখ্যা ২৮ টি।
Related Questions
বাংলাদেশেল প্রথম আধুনিক মহিলা কবি বেগম সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কবিতা ' তাহারেই পড়ে মনে' । এ কবিতাটি ১৯৩৫ সালে মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এ কবিতায় মূলত কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। অন্যদিকে কবি জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' এবং জসীমউদ্দীনের 'কবর' ও 'নিমন্ত্রণ' কবিতাও বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবিতা ।
বেগম সুফিয়া কামাল ছিলেন গীতিকবি। তিনি রবীন্দ্র কাব্যধারার গীতি কবিতা রচয়িতা ছিলেন।
জননী সাহসিকা বেগম সুফিয়া কামালের রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরি’। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসের স্মৃতি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে লিখে রেখেছেন, যা পরবর্তি সময়ে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়।
তিথিডোর (১৯৪৯) উপন্যাসটি বুদ্ধদেব বসুর রচনা। উপন্যাসটি তিন খন্ডে বিভক্ত। বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাবের নর - নারীর যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনী এ উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। কাহিনীর মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, তার নাম - - - - বাসন্তিকা।
বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রতিভাবান কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক প্রভৃতি গুণে গুনান্বিত ছিলেন বুদ্ধদেব বসু । বিশিষ্ট উকিল পিতা ভূদেব বসু ও মাতা বিনয়কুমারীর একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি ।
জন্মের পরদিনই মাকে হারানো এই সাহিত্যিকের শৈশব কেটেছে কখনো কুমিল্লা, নোয়াখালী কখনো বা ঢাকা । বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপান্ডবের অন্যতম এই সাহিত্যিক, বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে অনন্য প্রতিভার প্রকাশ ঘটিয়েছেন মেধা ও মননের দ্বারা ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি ‘বাসন্তিকা পত্রিকা’ নামে একটি পত্রিকার সম্পাদনা করতেন যা আজও প্রকাশিত হয়।
জব সলুশন