একাত্তরের ডায়েরি’ কার রচনা ?
জননী সাহসিকা বেগম সুফিয়া কামালের রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরি’। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসের স্মৃতি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে লিখে রেখেছেন, যা পরবর্তি সময়ে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়।
Related Questions
তিথিডোর (১৯৪৯) উপন্যাসটি বুদ্ধদেব বসুর রচনা। উপন্যাসটি তিন খন্ডে বিভক্ত। বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাবের নর - নারীর যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনী এ উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। কাহিনীর মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, তার নাম - - - - বাসন্তিকা।
বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রতিভাবান কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক প্রভৃতি গুণে গুনান্বিত ছিলেন বুদ্ধদেব বসু । বিশিষ্ট উকিল পিতা ভূদেব বসু ও মাতা বিনয়কুমারীর একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি ।
জন্মের পরদিনই মাকে হারানো এই সাহিত্যিকের শৈশব কেটেছে কখনো কুমিল্লা, নোয়াখালী কখনো বা ঢাকা । বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপান্ডবের অন্যতম এই সাহিত্যিক, বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে অনন্য প্রতিভার প্রকাশ ঘটিয়েছেন মেধা ও মননের দ্বারা ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি ‘বাসন্তিকা পত্রিকা’ নামে একটি পত্রিকার সম্পাদনা করতেন যা আজও প্রকাশিত হয়।
'হঠাৎ আলোর ঝলকানি' প্রবন্ধগ্রন্থ জাতীয় রচনা।
বুদ্ধদেব বসু (৩০ নভেম্বর ১৯০৮ - ১৮ মার্চ ১৯৭৪) একজন বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাহিত্য - সমালোচক ছিলেন।
তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ সম্পাদনা:
হঠাৎ - আলোর ঝলকানি (১৯৩৫),
কালের পুতুল (১৯৪৬),
সাহিত্যচর্চা (১৩৬১),
রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য (১৯৫৫),
স্বদেশ ও সংস্কৃতি (১৯৫৭),
সঙ্গ নিঃসঙ্গতা ও রবীন্দ্রনাথ (১৯৬৩),
প্রবন্ধ - সংকলন (১৯৬৬)।
বাংলা ভাষায় যারা আধুনিক কবিতা সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের মধ্যে পাঁচ জন কবি প্রধান। এ পাঁচ জন কবিকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়। তারা হলেন - বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ - ১৯৭৪) , জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ - ১৯৫৪) , সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১ - ১৯৬০), বিষ্ণু দে (১৯০৯ - ১৯৮২) ও অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১ - ১৯৮৭) । এছাড়া আধুনিক কবিতার বিকাশে প্রেমেন্দ্র মিত্রও (১৯০৪ - ১৯৮৮) সাহায্য করেছিলেন।
কাজী নজরুল ইসলামের পর সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি আরবি ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন্ - সৈয়দ মুজতবা আলী।
সম্পাদনা
সৈয়দ মুজতবা আলী (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ - ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) একজন বিংশ শতকী বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা।
তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা একই সঙ্গে পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট।
জব সলুশন