বেগম সুফিয়া কামাল কোন ধরনের কবি ?
বেগম সুফিয়া কামাল ছিলেন গীতিকবি। তিনি রবীন্দ্র কাব্যধারার গীতি কবিতা রচয়িতা ছিলেন।
Related Questions
জননী সাহসিকা বেগম সুফিয়া কামালের রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরি’। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসের স্মৃতি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে লিখে রেখেছেন, যা পরবর্তি সময়ে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়।
তিথিডোর (১৯৪৯) উপন্যাসটি বুদ্ধদেব বসুর রচনা। উপন্যাসটি তিন খন্ডে বিভক্ত। বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাবের নর - নারীর যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনী এ উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। কাহিনীর মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, তার নাম - - - - বাসন্তিকা।
বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রতিভাবান কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক প্রভৃতি গুণে গুনান্বিত ছিলেন বুদ্ধদেব বসু । বিশিষ্ট উকিল পিতা ভূদেব বসু ও মাতা বিনয়কুমারীর একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি ।
জন্মের পরদিনই মাকে হারানো এই সাহিত্যিকের শৈশব কেটেছে কখনো কুমিল্লা, নোয়াখালী কখনো বা ঢাকা । বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপান্ডবের অন্যতম এই সাহিত্যিক, বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে অনন্য প্রতিভার প্রকাশ ঘটিয়েছেন মেধা ও মননের দ্বারা ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি ‘বাসন্তিকা পত্রিকা’ নামে একটি পত্রিকার সম্পাদনা করতেন যা আজও প্রকাশিত হয়।
'হঠাৎ আলোর ঝলকানি' প্রবন্ধগ্রন্থ জাতীয় রচনা।
বুদ্ধদেব বসু (৩০ নভেম্বর ১৯০৮ - ১৮ মার্চ ১৯৭৪) একজন বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাহিত্য - সমালোচক ছিলেন।
তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ সম্পাদনা:
হঠাৎ - আলোর ঝলকানি (১৯৩৫),
কালের পুতুল (১৯৪৬),
সাহিত্যচর্চা (১৩৬১),
রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য (১৯৫৫),
স্বদেশ ও সংস্কৃতি (১৯৫৭),
সঙ্গ নিঃসঙ্গতা ও রবীন্দ্রনাথ (১৯৬৩),
প্রবন্ধ - সংকলন (১৯৬৬)।
বাংলা ভাষায় যারা আধুনিক কবিতা সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের মধ্যে পাঁচ জন কবি প্রধান। এ পাঁচ জন কবিকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়। তারা হলেন - বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ - ১৯৭৪) , জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ - ১৯৫৪) , সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১ - ১৯৬০), বিষ্ণু দে (১৯০৯ - ১৯৮২) ও অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১ - ১৯৮৭) । এছাড়া আধুনিক কবিতার বিকাশে প্রেমেন্দ্র মিত্রও (১৯০৪ - ১৯৮৮) সাহায্য করেছিলেন।
জব সলুশন