কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) একটি উপন্যাস। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য উপন্যাস হলো - ' গোরা' (১৯১০) , 'ঘরে - বাইরে' (১৯১৬) , 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) ইত্যাদি।
Related Questions
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস বৌঠাকুরাণীর হাট।
বৌ - ঠাকুরাণীর হাট হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়।
রচনার দিক থেকে "করুণা" পূর্ববর্তী হলেও "বৌ - ঠাকুরাণীর হাট" উপন্যাসটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
তিনি এই উপন্যাসকে কেন্দ্র করেই রচনা করেন "প্রায়চিত্ত" (১৯০৯) নাটকটি। ১৯২৯ সালে নাটকটি ভেঙে পুুুুনরায় রচনা করেন "পরিত্রাণ" নাটক।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোট গল্পের জনক বলা হয়। তার লেখা প্রথম ছোটগল্প ' ভিখারিনী ' এবং সর্বশেষ ছোট গল্প ' ল্যাবরেটরি'।
"মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই, "
- চরণ দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "প্রাণ" কবিতায় উল্লেখ আছে। "প্রাণ " কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
"মোসলেম বীরত্ব " - মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। কাব্যটি প্রকাশিত হয় ২৫ আষাঢ় ১৩১৪ বঙ্গাব্দে ( জুলাই, ১৯০৭ সালে)। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - মদিনার গৌরব, হযরত বেলালের জীবনী, বিবি খাদিজার বিবাহ ইত্যাদি।
'গাজী মিয়ার বস্তনী' রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন।
সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
১৮৯৯ (১৫ আশ্বিন, ১৩০৬) গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন 'রত্নবতী' উপন্যাসটি রচনা করেন ১৮৬৯ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। মীর মশররফ হোসেনের জন্ম কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৩ নভেম্বর ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ - সিন্ধু' (১৮৮৫ - ১৮৯১) ।
জব সলুশন