বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম কি ?
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন 'রত্নবতী' উপন্যাসটি রচনা করেন ১৮৬৯ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। মীর মশররফ হোসেনের জন্ম কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৩ নভেম্বর ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ - সিন্ধু' (১৮৮৫ - ১৮৯১) ।
Related Questions
ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'
মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক হলো ' বসন্তকুমারী' (১৮৭৩), 'জমিদার দর্পণ' (১৮৭৩), 'বেহুলা গীতাভিনয়' (১৮৮৯), । মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা নাটক 'পদ্মবতী' (১৮৬০), 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৮) , 'মায়াকানন'। উল্লেখ্য, 'কৃষ্ণকুমারী' বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৬) নাটকের রচিয়তা দীনবন্ধু মিত্র। দীনবন্ধু মিত্রের অন্য নাটকগুলোর হলো 'লীলাবতী' (১৮৬৭), 'জামাই বারিক' (১৮৭২), কমলে কামিনী' (১৮৭৩)।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) তার রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
আনন্দ মঠ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে।
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র
কপালকুণ্ডলা
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
এটি দ্বাদশ শতাব্দীর বঙ্গদেশের রাজনৈতিক পটভূমিকায় রচিত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র হেমচন্দ্র, মৃণালিনী, মনোরমা প্রভৃতি।
কৃষ্ণকান্তের উইল - রোহিণী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলাল
দুর্গেশননন্দিনী - কুমার জগৎসিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা, ওসমান
বিষবৃক্ষ - নগেন্দ্র, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী, হীরা
জব সলুশন