মীর মশাররফ হোসেনের ‘মোসলেম বীরত্ব’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
"মোসলেম বীরত্ব " - মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। কাব্যটি প্রকাশিত হয় ২৫ আষাঢ় ১৩১৪ বঙ্গাব্দে ( জুলাই, ১৯০৭ সালে)। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - মদিনার গৌরব, হযরত বেলালের জীবনী, বিবি খাদিজার বিবাহ ইত্যাদি।
Related Questions
'গাজী মিয়ার বস্তনী' রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন।
সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
১৮৯৯ (১৫ আশ্বিন, ১৩০৬) গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন 'রত্নবতী' উপন্যাসটি রচনা করেন ১৮৬৯ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। মীর মশররফ হোসেনের জন্ম কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৩ নভেম্বর ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ - সিন্ধু' (১৮৮৫ - ১৮৯১) ।
ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'
মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক হলো ' বসন্তকুমারী' (১৮৭৩), 'জমিদার দর্পণ' (১৮৭৩), 'বেহুলা গীতাভিনয়' (১৮৮৯), । মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা নাটক 'পদ্মবতী' (১৮৬০), 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৮) , 'মায়াকানন'। উল্লেখ্য, 'কৃষ্ণকুমারী' বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৬) নাটকের রচিয়তা দীনবন্ধু মিত্র। দীনবন্ধু মিত্রের অন্য নাটকগুলোর হলো 'লীলাবতী' (১৮৬৭), 'জামাই বারিক' (১৮৭২), কমলে কামিনী' (১৮৭৩)।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) তার রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
আনন্দ মঠ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে।
জব সলুশন