মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ গ্রন্থটি সম্পর্কে কোন উক্তিটি উপযোগী?
Related Questions
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) তার রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
আনন্দ মঠ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে।
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র
কপালকুণ্ডলা
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
এটি দ্বাদশ শতাব্দীর বঙ্গদেশের রাজনৈতিক পটভূমিকায় রচিত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র হেমচন্দ্র, মৃণালিনী, মনোরমা প্রভৃতি।
কৃষ্ণকান্তের উইল - রোহিণী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলাল
দুর্গেশননন্দিনী - কুমার জগৎসিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা, ওসমান
বিষবৃক্ষ - নগেন্দ্র, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী, হীরা
বস্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ (১৮৭৩)। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, তাদের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মাল ও অধিকারবোধ প্রভূতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাংলা উপন্যাসে বিষবৃক্ষের প্রভাব অত্যন্ত গভীর । চরিত্রায়নে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়নে ‘বিষবৃক্ষ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
জব সলুশন