পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার?
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র
কপালকুণ্ডলা
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
Related Questions
এটি দ্বাদশ শতাব্দীর বঙ্গদেশের রাজনৈতিক পটভূমিকায় রচিত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র হেমচন্দ্র, মৃণালিনী, মনোরমা প্রভৃতি।
কৃষ্ণকান্তের উইল - রোহিণী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলাল
দুর্গেশননন্দিনী - কুমার জগৎসিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা, ওসমান
বিষবৃক্ষ - নগেন্দ্র, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী, হীরা
বস্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ (১৮৭৩)। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, তাদের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মাল ও অধিকারবোধ প্রভূতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাংলা উপন্যাসে বিষবৃক্ষের প্রভাব অত্যন্ত গভীর । চরিত্রায়নে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়নে ‘বিষবৃক্ষ’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সহোদর সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সাংবাদিক, লেখক ও পণ্ডিত।
- একজন স্বশিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি ইংরেজি সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস ও আইনে বিশেষ ব্যুৎপত্তি লাভ করেন।
- ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। তাঁর মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাঁকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগ দেয়।
- তিনি সামাজিক অসাম্য ও সাংস্কৃতিক অনগ্রসরতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন।
- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৪ সালে চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি Bengali Ryots : Their Pights and Liabilities (১৮৬৪) নামক গ্রন্থ লিখে খ্যাতি অর্জন করেন।
- 'ভ্রমর' (১৮৭৪-৭৫), 'বঙ্গদর্শন' (১৮৭৭-৮২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৮৯ সালে মারা যান।
তার রচিত উপন্যাস:
- ‘কণ্ঠমালা’ (১৮৭৭),
- ‘জলপ্রতাপ চাঁদ' (১৮৮৩),
- ‘মাধবীলতা’ (১৮৮৪)।
তার রচিত গল্পগ্রন্থ:
- 'রামেশ্বরের অদৃষ্ট’ (১৮৭৭),
- ‘দামিনী’ ।
তার রচিত প্রবন্ধ:
- ‘যাত্রা’ (১৮৭৫),
- ‘সৎকার ও বাল্য বিবাহ।
ভ্রমণকাহিনী’ ‘পালামৌ' (১৮৮০-৮২) এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা।
জব সলুশন