”ঝাঁকের কই” বাগধারাটির অর্থ-
”ঝাঁকের কই” বাগধারাটির অর্থ - একই দলের লোক। এখানে ঝাঁকের কই বোঝাতে সবাই একই প্রকৃতির লোক অর্থ প্রকাশ পায়।
Related Questions
বকধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী—এই বাগধারা যুগলটি সর্বাধিক সমার্থকবাচক। অর্থ ও বিশ্লেষণ
বকধার্মিক: এর অর্থ ভণ্ড সাধু, কপটচারী বা ভণ্ড ধার্মিক। বক যেমন মাছ ধরার জন্য ধ্যানী সাধুর মতো এক পায়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে, ঠিক তেমনই কিছু মানুষ ধার্মিকতার ভণ্ডামি করে।
বিড়াল তপস্বী: এর অর্থও ভণ্ড সাধু বা কপট ব্যক্তি। বিড়াল যেমন চোখ বন্ধ করে পরম সাধুর মতো বসে থাকে কিন্তু মনোযোগ থাকে ইঁদুরের দিকে, তেমনই এই বাগধারাটি দিয়ে ভণ্ডামি বোঝানো হয়। [
কাকনিদ্রা শব্দটির মূল অর্থ হলো অগভীর ও সতর্ক নিদ্রা।
সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে
পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান ভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন : মধু দিয়ে মাখা = মধু মাখা, শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রম লব্ধ।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ'। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই আখ্যানকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এটি রূপাই ও সাজু নামের দুই গ্রামীণ তরুণ-তরুণীর এক ট্রাজিক ভালোবাসার কাহিনী নিয়ে রচিত। এই অমর সৃষ্টিটি ইংরেজি (The Field of the Embroidered Quilt) সহ বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় মোট ১১৮টি পঙক্তি (বা চরণ) রয়েছে।
জব সলুশন