জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য কোনটি?
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ'। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই আখ্যানকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এটি রূপাই ও সাজু নামের দুই গ্রামীণ তরুণ-তরুণীর এক ট্রাজিক ভালোবাসার কাহিনী নিয়ে রচিত। এই অমর সৃষ্টিটি ইংরেজি (The Field of the Embroidered Quilt) সহ বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
Related Questions
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় মোট ১১৮টি পঙক্তি (বা চরণ) রয়েছে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালী। এই উপন্যাসের দ্বিতীয় খন্ড অপরাজিত ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
আরো মনেরাখুন,
- ‘অপরাজিতা’ কাব্যের রচয়িতা যতীন্দ্রমোহন বাগচী
- নীল অপরাজিতা উপন্যাসের রচিয়তা হুমায়ুন আহমেদ।
বিখ্যাত "ক্রীতদাসের হাসি" উপন্যাসের লেখক হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। ১৯৬২ সালে প্রকাশিত এই প্রতীকধর্মী ও রূপক উপন্যাসটি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে ।
যেমন - সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক কমে।
সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না” বাক্যে “ঝিনুকে” পদটি অপাদান কারকে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তি। যেহেতু ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন বা বিচ্যুত হয় (যা অপাদানের মূল লক্ষণ: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, বা উৎপন্ন হয়), তাই এটি অপাদান কারক। এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তি
নূরজাহান একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (ডি. এল. রায়) কর্তৃক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক। মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের রানি নূরজাহানের (আসল নাম মেহেরুন্নিসা) জীবনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটি রচিত হয়েছে।
জব সলুশন