সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে আগত?
সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে
Related Questions
পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান ভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন : মধু দিয়ে মাখা = মধু মাখা, শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রম লব্ধ।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ'। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই আখ্যানকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এটি রূপাই ও সাজু নামের দুই গ্রামীণ তরুণ-তরুণীর এক ট্রাজিক ভালোবাসার কাহিনী নিয়ে রচিত। এই অমর সৃষ্টিটি ইংরেজি (The Field of the Embroidered Quilt) সহ বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় মোট ১১৮টি পঙক্তি (বা চরণ) রয়েছে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালী। এই উপন্যাসের দ্বিতীয় খন্ড অপরাজিত ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
আরো মনেরাখুন,
- ‘অপরাজিতা’ কাব্যের রচয়িতা যতীন্দ্রমোহন বাগচী
- নীল অপরাজিতা উপন্যাসের রচিয়তা হুমায়ুন আহমেদ।
বিখ্যাত "ক্রীতদাসের হাসি" উপন্যাসের লেখক হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। ১৯৬২ সালে প্রকাশিত এই প্রতীকধর্মী ও রূপক উপন্যাসটি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে ।
যেমন - সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক কমে।
জব সলুশন