”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক--
বিখ্যাত "ক্রীতদাসের হাসি" উপন্যাসের লেখক হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। ১৯৬২ সালে প্রকাশিত এই প্রতীকধর্মী ও রূপক উপন্যাসটি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
Related Questions
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে ।
যেমন - সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক কমে।
সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না” বাক্যে “ঝিনুকে” পদটি অপাদান কারকে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তি। যেহেতু ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন বা বিচ্যুত হয় (যা অপাদানের মূল লক্ষণ: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, বা উৎপন্ন হয়), তাই এটি অপাদান কারক। এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তি
নূরজাহান একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (ডি. এল. রায়) কর্তৃক রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক। মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের রানি নূরজাহানের (আসল নাম মেহেরুন্নিসা) জীবনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটি রচিত হয়েছে।
বাংলার মৌলিক নাটক রচনার সুত্রপাত হয় ১৮৫২ সালে। তারাচরন শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' এই বৎসরের প্রকাশিত নাটক।
সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণের সহজ প্রবণতা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন। যেমন: আশা ও অতীত উচ্চারণে যে আয়াশ প্রয়োজন আশাতীত তার চেয়ে অল্প উচ্চারিত হয় এবং শ্রুতিমধুর।
"বাগাড়ম্বর" শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো: বাক্ + আড়ম্বর। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী সাধিত হয়েছে। নিয়মটি হলো: ক, চ, ট, ত, প (বর্গের প্রথম বর্ণ)-এর পরে যদি কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে বর্গের প্রথম বর্ণটি পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়। সে অনুযায়ী এখানে 'ক্'-এর জায়গায় 'গ্' হয়ে 'বাগাড়ম্বর' গঠিত হয়েছে।
জব সলুশন