”বিষাদ সিন্ধু” উপন্যাসের নায়ক-
বিখ্যাত সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন রচিত এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু আবর্তিত হয়েছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের জীবন, কারবালার যুদ্ধ এবং তাদের করুণ মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিষাদ সিন্ধু - উপন্যাসের প্রথম ভাগে ইমাম হাসান এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগে ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের আত্মত্যাগকে উপজীব্য করা হয়েছে
Related Questions
জহির রায়হানের “আরেক ফাল্গুন” উপন্যাসটির পটভূমি শুধুমাত্র একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন নয়, বরং এটি ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পরের ১৯৫৫ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে রচিত
কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি হলো 'রায়গুণাকর'
পর + পর = পরস্পর একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম না মেনে গঠিত শব্দগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
'কাঁদুনি' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ - কাঁদ + উনি ।
সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত স্বরের একটির লোপ হয়। যেমন: মিথ্যা + উক্ত = মিথ্যুক, কাঁদ + উনি = কাঁদুনি ।
”কালির দাগ দাও” বাক্যে “কালির” শব্দটি করণে ষষ্ঠী বিভক্তি।
করণ শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়কেই করণ কারক বলে।
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হলাে যে সমাসে একই রূপ দুটি বিশেষ্যপদ এক সাথে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করে, যেমন - কানে কানে যে কথা = কানাকানি ।
তৎপুরুষ সমাস হলাে যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় । যেমন — ঢেঁকিতে ছাঁটা = ঢেঁকিছাঁটা ।
এখানে লাঠালাঠি = লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ , অর্থাৎ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ।
জব সলুশন