রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা কে?
রেডক্রস (বর্তমানে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন) এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন সুইজারল্যান্ডের নাগরিক হেনরি ডুনান্ট (Jean-Henri Dunant) ১৮৫৯ সালে সলফেরিনোর যুদ্ধে আহত সৈনিকদের অসহায় অবস্থা দেখে তিনি আর্তমানবতার সেবায় এই প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেন এবং ১৮৬৩ সালে জেনেভায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়
Related Questions
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি (OIC)-এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত । এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রধান আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থা, যার লক্ষ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৪৮ সালে বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাত নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি দায়িত্বরত ছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ তিনি পাকবাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধে শহীদ হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে তাকে সমাহিত করা হয়।
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৭ ভারতীয় উপমহাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৮ জুলাই, ১৯৪৭ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ভারতীয় স্বাধীনতা আইন’ পাশ হয়। তিনি ১৪ ও ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারতের গণপরিষদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
স্বাধীনতার পর প্রকাশিত (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) প্রথম ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবি ছিল। ২০ পয়সা মূল্যমানের এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বি পি চিতনিশ (BP Chitonish)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই। মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ৮ প্রকার এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বিমান মল্লিক।
প্রদত্ত ধারাটি লক্ষ্য করি:
৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪
ধারাটির পদগুলোকে বিশ্লেষণ করলে পাই:
প্রথম পদ = ৯ = ৩২
দ্বিতীয় পদ = ৩৬ = ৬২
তৃতীয় পদ = ৮১ = ৯২
চতুর্থ পদ = ১৪৪ = ১২২
আমরা দেখতে পাচ্ছি, সংখ্যাগুলো ৩ এর গুণিতক ক্রমিক সংখ্যার বর্গ।
অর্থাৎ, ৩, ৬, ৯, ১২ ক্রমের সংখ্যাগুলোর বর্গ।
এখানে সংখ্যাগুলোর ক্রম:
৩
৩ + ৩ = ৬
৬ + ৩ = ৯
৯ + ৩ = ১২
সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে (১২ + ৩) বা ১৫ এর বর্গ।
অতএব, পঞ্চম বা পরবর্তী পদ = ১৫২ = ২২৫
কান্তজীর মন্দির, যা কান্তনগর মন্দির নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। এটি কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে, দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরবর্তী গ্রাম কান্তনগরে অবস্থিত। মন্দিরটি ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৭৫২ সালে সম্পন্ন হয়.
জব সলুশন