কান্তজীর মন্দির কোন জেলায় অবস্থিত?

ক) রাঙামাটি
খ) দিনাজপুর
গ) জয়পুরহাট
ঘ) কুমিল্লা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কান্তজীর মন্দির, যা কান্তনগর মন্দির নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। এটি কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে, দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরবর্তী গ্রাম কান্তনগরে অবস্থিত। মন্দিরটি ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৭৫২ সালে সম্পন্ন হয়.

Related Questions

ক) লি ডাক থো
খ) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
গ) স্যার স্যামুয়েলসন
ঘ) হেরগোবিন্দ খোরানা
Note :

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন ভিয়েতনামের লি ডাক থো। এশিয়ায় তিনি প্রথম শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭৩ সালে।

ক) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
খ) মেমোরি চিপ হিসেবে
গ) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ঘ) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
Note :

ক্যাসেটের ফিতার শব্দ মূলত চুম্বক ক্ষেত্র (Magnetic field) হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। ক্যাসেটের প্লাস্টিকের ফিতার ওপর আয়রন অক্সাইডের মতো চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপ দেওয়া থাকে। রেকর্ড করার সময় অডিও সিগন্যালকে চৌম্বক ক্ষেত্রে পরিণত করে এই ফিতার ওপর চুম্বকীয় দাগ বা প্যাটার্ন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 

ক) গামা রশ্মি
খ) আলফা রশ্মি
গ) বিটা রশ্মি
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
Note :

এক্স-রে এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দ্বারা শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী রন্টজেন এক্সরে আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এক্সরে কে রন্টজেন রশ্মিও বলা হয়। শরীরের কোন অংশ বা ফুসফুসের কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণেয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

ক) পারদ
খ) ব্রোমিন
গ) আয়োডিন
ঘ) জেনন
Note :

ব্রোমিন হ'ল একটি রাসায়নিক উপাদান যা প্রতীক Br এবং পারমাণবিক সংখ্যা 35।এটি একমাত্র অধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল হিসেবে থাকে। এটি তৃতীয়তম হালকা হ্যালোজেন এবং ঘরের তাপমাত্রায় একটি জ্বলন্ত লাল-বাদামী তরল যা একই রঙের গ্যাস গঠনের জন্য সহজেই বাষ্পীভবন হয়।

ক) ৯০% ইথানল + ১০% পানি
খ) ৮০% ইথানল + ২০% পানি
গ) ৯৫% ইথানল + ৫% পানি
ঘ) ৯৮% ইথানল + ২% পানি
Note :

রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির সমস্ফুটন মিশ্রণ। এর স্ফুনাংক ৭৮.১০ সে. । রেকটিফাইড স্পিরিট ডাক্তারি কাজে ও দ্রাবকরুপে ব্যবহৃত হয়। এ স্পিরিট থেকে বিশুদ্ধ অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।

ক) রাজ কাঁকড়া
খ) গন্ডার
গ) পিপীলিকাভুক ম্যানিস
ঘ) স্লো লোরিস
Note :

বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া। 
- ডাইনোসরের চেয়েও প্রায় ২০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এসেছিল এই রাজ কাঁকড়া।
- আজ থেকে ৪৫ কোটি বছর আগে বিবর্তিত হয়ে এত দিন প্রায় অবিকৃত চেহারায় থেকে যাওয়ার জন্য এদের জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্রাণীটি দিয় কিঁয়ারা বা দৈত্য কাঁকড়া নামে বেশি পরিচিত।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন