স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথশ ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?

ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
খ) লালবাগের কেল্লাহ
গ) সোনা মসজিদ
ঘ) শহীদ মিনার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

স্বাধীনতার পর প্রকাশিত (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) প্রথম ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবি ছিল। ২০ পয়সা মূল্যমানের এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বি পি চিতনিশ (BP Chitonish)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই। মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ৮ প্রকার এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বিমান মল্লিক। 

Related Questions

ক) ১৬৯
খ) ২২৫
গ) ২৫৬
ঘ) ২৭২
Note :

প্রদত্ত ধারাটি লক্ষ্য করি:
৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪

ধারাটির পদগুলোকে বিশ্লেষণ করলে পাই:
প্রথম পদ = ৯ = ৩২
দ্বিতীয় পদ = ৩৬ = ৬২
তৃতীয় পদ = ৮১ = ৯২
চতুর্থ পদ = ১৪৪ = ১২২

আমরা দেখতে পাচ্ছি, সংখ্যাগুলো ৩ এর গুণিতক ক্রমিক সংখ্যার বর্গ।
অর্থাৎ, ৩, ৬, ৯, ১২ ক্রমের সংখ্যাগুলোর বর্গ।

এখানে সংখ্যাগুলোর ক্রম:

৩ + ৩ = ৬
৬ + ৩ = ৯
৯ + ৩ = ১২

সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে (১২ + ৩) বা ১৫ এর বর্গ।
অতএব, পঞ্চম বা পরবর্তী পদ = ১৫২ = ২২৫

ক) রাঙামাটি
খ) দিনাজপুর
গ) জয়পুরহাট
ঘ) কুমিল্লা
Note :

কান্তজীর মন্দির, যা কান্তনগর মন্দির নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। এটি কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে, দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরবর্তী গ্রাম কান্তনগরে অবস্থিত। মন্দিরটি ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৭৫২ সালে সম্পন্ন হয়.

ক) লি ডাক থো
খ) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
গ) স্যার স্যামুয়েলসন
ঘ) হেরগোবিন্দ খোরানা
Note :

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন ভিয়েতনামের লি ডাক থো। এশিয়ায় তিনি প্রথম শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭৩ সালে।

ক) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
খ) মেমোরি চিপ হিসেবে
গ) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ঘ) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
Note :

ক্যাসেটের ফিতার শব্দ মূলত চুম্বক ক্ষেত্র (Magnetic field) হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। ক্যাসেটের প্লাস্টিকের ফিতার ওপর আয়রন অক্সাইডের মতো চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপ দেওয়া থাকে। রেকর্ড করার সময় অডিও সিগন্যালকে চৌম্বক ক্ষেত্রে পরিণত করে এই ফিতার ওপর চুম্বকীয় দাগ বা প্যাটার্ন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 

ক) গামা রশ্মি
খ) আলফা রশ্মি
গ) বিটা রশ্মি
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
Note :

এক্স-রে এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দ্বারা শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী রন্টজেন এক্সরে আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এক্সরে কে রন্টজেন রশ্মিও বলা হয়। শরীরের কোন অংশ বা ফুসফুসের কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণেয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

ক) পারদ
খ) ব্রোমিন
গ) আয়োডিন
ঘ) জেনন
Note :

ব্রোমিন হ'ল একটি রাসায়নিক উপাদান যা প্রতীক Br এবং পারমাণবিক সংখ্যা 35।এটি একমাত্র অধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল হিসেবে থাকে। এটি তৃতীয়তম হালকা হ্যালোজেন এবং ঘরের তাপমাত্রায় একটি জ্বলন্ত লাল-বাদামী তরল যা একই রঙের গ্যাস গঠনের জন্য সহজেই বাষ্পীভবন হয়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন