বাংলাদেশে উন্নত মানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
বাংলাদেশে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে। এই কয়লা খনি ১৯৬২ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হয়, যেখানে উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়। খনির গভীরতা প্রায় ৬৪০-১১৫৮ মিটার। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৬টি কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়েছে, যথা: জামালগঞ্জ, বড়পুকুরিয়া, খালাশপীর, দীঘাপাড়া, ফুলবাড়ী এবং পাঁচবিবি।
Related Questions
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম স্বাধীন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি প্রথম দিকে দিল্লির সালতানাতের অধীনে কাজ করতেন। পরে বাংলায় চলে আসেন। বাংলায় দিল্লির প্রাদেশিক গভর্নর ইয়াহিয়ার মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতা দখল করে বাংলাকে দিল্লির অধীন থেকে মুক্ত ঘোষণা করেন
ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলান জমিদার মীর্জা গোলাম পীর । সাদা মার্বেলের ৩টি গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে ।
প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ গৃহীত হয় ৬ মার্চ ১৯৭১ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে পতাকা উত্তোলন ২৩ মার্চ জাতীয় পতাকা রূপে গৃহীত হয় ১৭ জানুয়ারী ১৯৭২ (১২ জানুয়ারি মানচিত্র পতাকা হতে সরিয়ে ফেলা হয়) সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
যৌথ নদী কমিশন (Joint Rivers Commission) ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। যৌথ নদী কমিশনের অন্যান্য প্রধান দায়িত্বসমূহের মধ্যে রয়েছে: আন্তর্জাতিক অথবা আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা এবং বণ্টনের লক্ষ্যে প্রতিবেশি দেশসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা
শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধি করতে নেপালে অবস্থিত গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীতে সুবিধাজনক স্থানে যৌথভাবে জলাধার নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে উপ - আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় গঙ্গা নদীর উজানে এ জলাধার সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
জব সলুশন