“গম্ভীরা” বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
গম্ভীরা বাংলার লোকসঙ্গীতের অন্যতম একটি ধারা। পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতে গম্ভীরার প্রচলন রয়েছে। গম্ভীরা দলবদ্ধভাবে গাওয়া হয়। এটি বর্ণনামূলক গান।
Related Questions
প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ গৃহীত হয় ৬ মার্চ ১৯৭১ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে পতাকা উত্তোলন ২৩ মার্চ জাতীয় পতাকা রূপে গৃহীত হয় ১৭ জানুয়ারী ১৯৭২ (১২ জানুয়ারি মানচিত্র পতাকা হতে সরিয়ে ফেলা হয়) সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
যৌথ নদী কমিশন (Joint Rivers Commission) ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। যৌথ নদী কমিশনের অন্যান্য প্রধান দায়িত্বসমূহের মধ্যে রয়েছে: আন্তর্জাতিক অথবা আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা এবং বণ্টনের লক্ষ্যে প্রতিবেশি দেশসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা
শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধি করতে নেপালে অবস্থিত গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীতে সুবিধাজনক স্থানে যৌথভাবে জলাধার নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে উপ - আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় গঙ্গা নদীর উজানে এ জলাধার সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
- পাট উত্তোলনের পর থেকে পচনের পূর্ব পর্যন্ত সময়কে কাঁচা পাট বলা হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন ৪.৫ মণ।
সর্বশেষ আপডেট (২০২৬):
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার (বৃহত্তর ঢাকা মেগালোপলিস) আয়তন প্রায় ২,৫৬৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার (৯৯২.১১ বর্গ মাইল)।
- এই এলাকায় মূল ঢাকা শহরের পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, কেরানীগঞ্জসহ আশেপাশের অন্যান্য পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
- উল্লেখ্য, বিভিন্ন সংস্থা ও সংজ্ঞার উপর ভিত্তি করে ঢাকার আয়তন সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। যেমন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (RAJUK)-এর আওতাধীন এলাকা প্রায় ১,৫২৮ বর্গ কিলোমিটার (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী)।
- কিছু সূত্র অনুযায়ী, শুধুমাত্র ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকার আয়তন প্রায় ২৭০ থেকে ৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশের চা উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজিতে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৯.৭% বেশি।
- তবে, ২০২৪ সালে চা উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেয়ে ৯৩ মিলিয়ন কেজিতে নেমে এসেছে। এই হ্রাসের প্রধান কারণ ছিল অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং চা বাগানগুলোর মান উন্নয়নের প্রচেষ্টা, যা উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে।
- বর্তমানে, বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদন প্রায় ৯.৩ কোটি কেজি, যা প্রায় ২০.৫ কোটি পাউন্ডের সমান। এই পরিমাণ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, যা প্রায় ৮.৫–৯ কোটি কেজি, পূরণ করতে সক্ষম।
জব সলুশন