ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য–

ক) দুদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
খ) দুদেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারন
গ) বন্যা নিয়ন্ত্রনে দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা
ঘ) দুদেশের নৌ পরিবহন ব্যবস্হার উন্নয়ন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

যৌথ নদী কমিশন (Joint Rivers Commission) ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। যৌথ নদী কমিশনের অন্যান্য প্রধান দায়িত্বসমূহের মধ্যে রয়েছে: আন্তর্জাতিক অথবা আন্তঃসীমান্ত নদীসমূহের পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা এবং বণ্টনের লক্ষ্যে প্রতিবেশি দেশসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা

Related Questions

ক) নেপালে জলাধার নির্মাণ
খ) গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে সংযোগ খাল খনন
গ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ
ঘ) গঙ্গার শাখা নদীসমূহে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি
Note :

শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধি করতে নেপালে অবস্থিত গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীতে সুবিধাজনক স্থানে যৌথভাবে জলাধার নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে উপ - আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় গঙ্গা নদীর উজানে এ জলাধার সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

ক) ৩.৫ মণ
খ) ২.৫ মণ
গ) ৪.৫ মণ
ঘ) ৫ মণ
Note :

- পাট উত্তোলনের পর থেকে পচনের পূর্ব পর্যন্ত সময়কে কাঁচা পাট বলা হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন ৪.৫ মণ।

ক) ১০০ বর্গমাইল
খ) ৯০ বর্গমাইল
গ) ১৫৩০ বর্গ কি: মি:
ঘ) ৮০ বর্গমাইল
Note :

সর্বশেষ আপডেট (২০২৬):
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার (বৃহত্তর ঢাকা মেগালোপলিস) আয়তন প্রায় ২,৫৬৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার (৯৯২.১১ বর্গ মাইল)
- এই এলাকায় মূল ঢাকা শহরের পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, কেরানীগঞ্জসহ আশেপাশের অন্যান্য পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
- উল্লেখ্য, বিভিন্ন সংস্থা ও সংজ্ঞার উপর ভিত্তি করে ঢাকার আয়তন সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। যেমন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (RAJUK)-এর আওতাধীন এলাকা প্রায় ১,৫২৮ বর্গ কিলোমিটার (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী)।
- কিছু সূত্র অনুযায়ী, শুধুমাত্র ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকার আয়তন প্রায় ২৭০ থেকে ৪০০ বর্গ কিলোমিটার
 

ক) ১৪ কোটি পাউন্ড
খ) ১৩ কোটি পাউন্ড
গ) ১০.৫ কোটি পাউন্ড
ঘ) ৯.৫ কোটি পাউন্ড
Note :

বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশের চা উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজিতে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৯.৭% বেশি। ​

- তবে, ২০২৪ সালে চা উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেয়ে ৯৩ মিলিয়ন কেজিতে নেমে এসেছে। এই হ্রাসের প্রধান কারণ ছিল অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং চা বাগানগুলোর মান উন্নয়নের প্রচেষ্টা, যা উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। ​

- বর্তমানে, বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদন প্রায় ৯.৩ কোটি কেজি, যা প্রায় ২০.৫ কোটি পাউন্ডের সমান। এই পরিমাণ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, যা প্রায় ৮.৫–৯ কোটি কেজি, পূরণ করতে সক্ষম।

ক) ১০১০ মিটার
খ) ১২৩০ মিটার
গ) ১৫৩০ মিটার
ঘ) ৮৯৩ মিটার
Note :

কেওক্রাডং শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে। মারমা ভাষায় কেও মানে 'পাথর', ক্রা মানে 'পাহাড়' আর এবং ডং মানে 'সবচেয়ে উঁচু'। অর্থাৎ কেওক্রাডং মানে সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা বান্দরবানে অবস্থিত। এক সময় এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ছিল। আধুনিক গবেষণায় এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং।  স্থানীয় উপজাতীয়দের ভাষায় 'তাজিং' শব্দের অর্থ বড় আর 'ডং' শব্দের অর্থ পাহাড় যা একত্রিত করলে হয় তাজিংডং। এ পর্বতের উচ্চতা প্রায় ৪ হাজার ৩ শত ফুট। এটি বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে অবস্থিত।

ক) পাথরচাওলি
খ) হাইল
গ) চলন বিল
ঘ) হাকালুকি
Note :

বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর হাকালুকি হাওর, যার আয়তন ২৪,২৯২ হেক্টর। 

- হাকালুকি হাওর সিলেট জেলার ফেঞ্ঝুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার এবং মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত। 

- হাইল বিল মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। 

- চলনবিল বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল। চলন বিল পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলায় বিস্তৃত।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন