সতীদাহ প্রথা রহিত হয় কোন সালে?
রাজা রামমোহন রায়ের সক্রিয় সহযোগিতায় লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে সহমরণ প্রথা বা সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। সতীদাহ প্রথা রহিত করার জন্য রাজা রামমোহন রায় নিজের মতের স্বপক্ষে হিন্দু শাস্ত্রের নানা প্রমাণ দাখিল করেন।
Related Questions
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম দেন 'জান্নাতাবাদ'।
মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন বাংলায় এসে বাংলার আবহাওয়া ভূ প্রকৃতি এবং অফুরন্ত সম্পদ দেখে বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ।
”আনন্দ বিহার” কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
অষ্টম শতকে দেবরাজা আনন্দদেব 'আনন্দ বিহার' নির্মাণ করেন। শালবন বিহার ও কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে শায়েস্তা খান নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। লালবাগ কেল্লার পূর্বনাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: জন + এক। [1]
স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়
'সদাশয়' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: সৎ + আশয়. এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী সাধিত হয়। নিয়মানুসারে, বর্গের প্রথম বর্ণ (যেমন- 'ৎ')-এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে সেই প্রথম বর্ণটি বর্গের তৃতীয় বর্ণে (যেমন- 'দ') রূপান্তরিত হয়। এখানে 'ৎ' এর সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে 'দা' তৈরি করেছে।
অন্যান্য উদাহরণ: সৎ + আনন্দ = সদানন্দ | দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নৌ + ইক। ব্যাকরণগত নিয়ম: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ও’ বা ‘ঔ’-এর পর কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ‘ও’ স্থানে ‘অব্’ এবং ‘ঔ’ স্থানে ‘আব্’ হয়।
এখানে, নৌ (ঔ) + ইক = নাবিক (আব্ + ইক)।
জব সলুশন