লালবাগ কেল্লার আদি নাম-
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে শায়েস্তা খান নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। লালবাগ কেল্লার পূর্বনাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
Related Questions
'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: জন + এক। [1]
স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়
'সদাশয়' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: সৎ + আশয়. এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী সাধিত হয়। নিয়মানুসারে, বর্গের প্রথম বর্ণ (যেমন- 'ৎ')-এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে সেই প্রথম বর্ণটি বর্গের তৃতীয় বর্ণে (যেমন- 'দ') রূপান্তরিত হয়। এখানে 'ৎ' এর সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে 'দা' তৈরি করেছে।
অন্যান্য উদাহরণ: সৎ + আনন্দ = সদানন্দ | দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নৌ + ইক। ব্যাকরণগত নিয়ম: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ও’ বা ‘ঔ’-এর পর কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ‘ও’ স্থানে ‘অব্’ এবং ‘ঔ’ স্থানে ‘আব্’ হয়।
এখানে, নৌ (ঔ) + ইক = নাবিক (আব্ + ইক)।
'নীরস' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নিঃ + রস। ব্যাকরণগত নিয়ম: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা উ-কারের পরে যদি 'র' থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পায় এবং তার পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। অর্থাৎ, নিঃ এর 'ন'-এর সাথে থাকা 'ই' কারটি 'ঈ' কারে পরিণত হয়ে 'নী' হয়।
অহরহ বিশেষ নিয়মে বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
এরূপ-
বাচঃ+পতি=বাচস্পতি,
ভাঃ+কর=ভাস্কর ইত্যাদি।
ইহলোকে যা সামান্য নয় → অলোকসামান্য। ইহলোক বলতে বোঝায় মনুষ্যলোক। অর্থাৎ যা পৃথিবীতে সামান্য নয়।
জব সলুশন