”নীরস” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
'নীরস' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: নিঃ + রস। ব্যাকরণগত নিয়ম: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা উ-কারের পরে যদি 'র' থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পায় এবং তার পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। অর্থাৎ, নিঃ এর 'ন'-এর সাথে থাকা 'ই' কারটি 'ঈ' কারে পরিণত হয়ে 'নী' হয়।
Related Questions
অহরহ বিশেষ নিয়মে বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
এরূপ-
বাচঃ+পতি=বাচস্পতি,
ভাঃ+কর=ভাস্কর ইত্যাদি।
ইহলোকে যা সামান্য নয় → অলোকসামান্য। ইহলোক বলতে বোঝায় মনুষ্যলোক। অর্থাৎ যা পৃথিবীতে সামান্য নয়।
"যে ব্যক্তির দুহাত সমান চলে" - এক কথায় তাকে সব্যসাচী বলে
নিচের এককথায় প্রকাশগুলো প্রায় পরীক্ষায় আসে, একবার চোখ বুলাই নিবেনঃ
- দুবার জন্ম হয় যার: দ্বিজ।
- অবিমৃষ্যকারী : যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে
- অবিসংবাদী : যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই।
- দশ চক্রে ভগবান ভূত : দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা
- বাঘের চামড়া : কৃত্তি
- যে ব্যক্তির দুহাত সমানে চলে : সব্যসাচী
- যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হিয়েছে : অযত্নসম্ভূত
- রাজহাসের ডাক : ক্রেকার
- দুইয়ের মধ্যে একটি : অন্যতর
- যার বসন আলগা : অসংবৃত।
সহোদর শব্দটি বহুব্রীহি সমাস। ব্যাসবাক্য: সমান উদর যাহার বা যার। সমাস নির্ণয়: যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি বলে। ব্যাকরণ অনুসারে, এখানে 'সমান' শব্দের জায়গায় 'সহ' বা 'স' আদেশ হয়েছে ।
'নিরামিষ' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাস। ব্যাসবাক্য: আমিষের অভাব,পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন- নিরামিষ → আমিষের অভাব; উপকণ্ঠ → কণ্ঠের সমীপে; উপশহর → শহরের সদৃশ।
মধ্যাহ্ন এর ব্যাসবাক্য = অহ্নের মধ্য ভাগ; কালের কোনো অংশবোধক শব্দ পরে থাকলে তা পূর্বে বসে। এটি যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
জব সলুশন