রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো–

ক) দর্পনের কাজ করে
খ) আতশী কাচের কাজ করে
গ) লেন্সের কাজ করে
ঘ) প্রিজমের কাজ করে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

-রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রামধনু দেখা যায়।
-পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না সকালে।
-পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় সকালে।
-আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারন বৃষ্টির কণা।রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
-রংধনুর সাত রংয়ের মধ্যে মধ্যম রং সবুজ।

Related Questions

ক) ক্ষমতা
খ) কাজ
গ) শক্তি
ঘ) বল
Note :

ব্যাখ্যাঃ যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা। সময়ের সাপেক্ষে কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।

 

বস্তুর সরণ না হলে কাজের পরিমান ০।  

ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
গ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
ঘ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
Note :

ব্যাখ্যাঃ সমুদ্র স্রোত উৎপত্তির কারণ হল - বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, গভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং স্থলভাগের অবস্থান।

ক) পরমাণু
খ) ইলেকট্রন
গ) অণু
ঘ) প্রোটেন
Note :

মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় পরমাণু। পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান হওয়ায় এটি চার্জ নিরপেক্ষ থাকে।

ক) নাইট্রোজেন গ্যাস
খ) মিথেন
গ) হাইড্রোজেন গ্যাস
ঘ) কার্বন মনোক্সাইড
Note :

-প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলোর মধ্যে মিথেন (CH₄) ৮০-৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩% ।
-এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাটট্রোজেন কিছু পরিমাণে থাকে ।
-এ উপাদানগুলোর মধ্যে প্রধান হলো মিথেন (CH₄) ।
-আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯% । 

ক) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
গ) লোহাকে টেস্পারিং করা হয়েছে
ঘ) সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
Note :

-ইস্পাত লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু, যেখানে কার্বনের পরিমাণ সাধারণত ওজন অনুসারে ০.০২% এবং ২.১% এর মধ্যে থাকে।
-ইস্পাতে কার্বনের নিয়ন্ত্রিত পরিমাণ এটিকে সাধারণ লোহা থেকে আলাদা করে, যা সাধারণত ০.০০৮% এর কম কার্বন ধারণ করে।
-ইস্পাতের কার্বন সামগ্রী তার শক্তি, কঠোরতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।

ক) ইরি- ৮
খ) ইরি- ১
গ) ইরি- ২০
ঘ) ইরি- ৩
Note :

- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান।
- আবাদি জমির ৭০ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশে হাইব্রিড ধান উৎপাদন করা শুরু হয়েছে ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বর থেকে।
- যেকোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল প্রজাতিকে সংক্ষেপে বলা হয় উফশী।
- সর্বপ্রথম ইরি-৮ উফশি ধান চালু হয়ে এখনো বর্তমান আছে।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত উন্নত ধান হলো- ময়না, হরিধান, ইরাটম, দুলাভোগ, আশা, প্রগতি, মুক্তা, চান্দিনাম, মালাইরি, ব্রিশাইল, অঘনিবোরা ইত্যাদি।
- ময়মনসিংহে সব থেকে ধান বেশি হয়।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের জাতের সংখ্যা ১০৬টি।
- বাংলাদেশে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান। 

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন