প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-

ক) নাইট্রোজেন গ্যাস
খ) মিথেন
গ) হাইড্রোজেন গ্যাস
ঘ) কার্বন মনোক্সাইড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

-প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলোর মধ্যে মিথেন (CH₄) ৮০-৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩% ।
-এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাটট্রোজেন কিছু পরিমাণে থাকে ।
-এ উপাদানগুলোর মধ্যে প্রধান হলো মিথেন (CH₄) ।
-আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯% । 

Related Questions

ক) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
গ) লোহাকে টেস্পারিং করা হয়েছে
ঘ) সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
Note :

-ইস্পাত লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু, যেখানে কার্বনের পরিমাণ সাধারণত ওজন অনুসারে ০.০২% এবং ২.১% এর মধ্যে থাকে।
-ইস্পাতে কার্বনের নিয়ন্ত্রিত পরিমাণ এটিকে সাধারণ লোহা থেকে আলাদা করে, যা সাধারণত ০.০০৮% এর কম কার্বন ধারণ করে।
-ইস্পাতের কার্বন সামগ্রী তার শক্তি, কঠোরতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।

ক) ইরি- ৮
খ) ইরি- ১
গ) ইরি- ২০
ঘ) ইরি- ৩
Note :

- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান।
- আবাদি জমির ৭০ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশে হাইব্রিড ধান উৎপাদন করা শুরু হয়েছে ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বর থেকে।
- যেকোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল প্রজাতিকে সংক্ষেপে বলা হয় উফশী।
- সর্বপ্রথম ইরি-৮ উফশি ধান চালু হয়ে এখনো বর্তমান আছে।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত উন্নত ধান হলো- ময়না, হরিধান, ইরাটম, দুলাভোগ, আশা, প্রগতি, মুক্তা, চান্দিনাম, মালাইরি, ব্রিশাইল, অঘনিবোরা ইত্যাদি।
- ময়মনসিংহে সব থেকে ধান বেশি হয়।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের জাতের সংখ্যা ১০৬টি।
- বাংলাদেশে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান। 

ক) ১০ কিমি
খ) ১০ নিউটন
গ) ২৭ কিমি
ঘ) ৫ কিমি
Note :

- ভূ-পৃষ্ঠের কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ স্থানের উপর বায়ু যে পরিমাণ চাপ প্রদান করে তাকে বায়ুর চাপ বলে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সবচেয়ে বেশি।
- যার পরিমাণ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন বা ৭৬ সেন্টিমিটার।

ক) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
খ) পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে
গ) কীটপতঙ্গের সাহায্যে
ঘ) ফুলে ফুলে সংস্পর্শে
Note :

ধান, গম, ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটে বাতাসের সাহায্যে। বেশির ভাগ ফুলের পারাগায়ন ঘটে পতঙ্গের মাধ্যমে। শিমুল, কদম জাতীয় উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটে প্রাণীর মাধ্যমে।

ক) ৩৭.৩৯ ইঞ্চি
খ) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
গ) ৩৯.৪৭ইঞ্চি
ঘ) ৩৭.৪৯ ইঞ্চি
Note :

১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি

এই রূপান্তরের জন্য, ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।

ক) ২৩°
খ) 22¹⁄₂°
গ) ২০°
ঘ) ২৩.৫ °
Note :

ঘড়ির সম্পূর্ণ কেন্দ্রে তথা ১২ ঘন্টায় ঘন্টার কাটার অতিক্রান্ত কোণের পরিমান ৩৬০ ডিগ্রী,

অর্থাৎ প্রত্যেক এক ঘন্টায় ঘন্টার কাটা অগ্রসর হয় ৩৬০/১২ বা ৩০ ডিগ্রী।

অতএব ১৫ মিনিটে ঘন্টার কাটা অগ্রসর হবে ৩০/৪ = ৭.৫ ডিগ্রী।

এখন, ২ঃ১৫ বাজে ঘন্টার কাটার অবস্থান ২*৩০ + ৭.৫ = ৬৭.৫ ডিগ্রীতে,

এবং মিনিটের কাটার অবস্থান ৩*৩০ = ৯০ ডিগ্রীতে।

অতএব এদের মধ্যকার পার্থক্য = ৯০ - ৬৭.৫ = ২২.৫ ডিগ্রী

সঠিক উত্তর হবেঃ ২২.৫ ডিগ্রী

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন