দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি নির্দেশ করে-

ক) প্রজাতি
খ) বর্গ
গ) রাজ্য
ঘ) শ্রেণি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকে জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলা হয়।

- দ্বিপদ নামকরণ: কোনো জীবের গণ (Genus) নামের শেষে একটি প্রজাতিক (Species) পদ যুক্ত করে দু'টি পদের (শব্দের) মাধ্যমে ICN বা ICZN এর নীতিমালা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জন্যে একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ। 

- সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে সর্বপ্রথম Plantarum বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।

Related Questions

ক) hλ/c
খ) hc/λ
গ) cλ/h
ঘ) chλ
Note :

- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক সর্বপ্রথম কোয়ান্টাম-তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে আলোকশক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তিগুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক রঙের আলোর জন্য এই প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে।
- এ সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম (Quantum) বা ফোটন (Photon) বলে।
E = ফোটনের শক্তি,
f = আলোর কম্পাঙ্ক,
A = তরঙ্গদৈর্ঘ্য,

হলে,
 E = hf = hc / λ [f = c/λ h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক]

ক) Vitamin K
খ) Vitamin A
গ) Vitamin B
ঘ) Vitamin C
Note :

ভিটামিন কে এর প্রভাবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় দেহের ক্ষতস্থানের রক্ত জমাট বাঁধে ও দেহ থেকে অবাঞ্ছিত রক্তপাত বন্ধ হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।

ক) সবুজ
খ) নীল
গ) লাল
ঘ) হলুদ
Note :

 আলোর প্রাথমিক রং তিনটি। যথাঃ লাল, নীল ও সবুজ।

ক) Ultra-violet
খ) Infrared
গ) Visible
ঘ) X-ray
Note :

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) বিকিরণ ব্যবহার করে, যা আমাদের দৃশ্যমান আলোর সীমার বাইরে, অর্থাৎ মহাজাগতিক ইতিহাসের প্রথম দিকের নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি দেখতে সাহায্য করে, কারণ মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে সেই আলো ইনফ্রারেড বর্ণালীতে স্থানান্তরিত (redshifted) হয়ে গেছে। এটি দৃশ্যমান বর্ণালীর লাল প্রান্ত এবং মধ্য-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্য সনাক্ত করতে পারে, যা মহাকাশের ধুলোর মেঘ ভেদ করে দেখতে এবং ঠান্ডা বস্তু পর্যবেক্ষণে সক্ষম। 

ক) ২ টি
খ) ৩ টি
গ) ৪ টি
ঘ) ৫ টি
Note :

প্রকৃতিতে মৌলিক বল চারটি।

এগুলো হলো- ১. মহাকর্ষ বল

                     ২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল

                     ৩. সবল নিউক্লিয় বল

                     ৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল

ক) গ্লাইসিন (Glycine)
খ) সেরিন (Serine)
গ) সিস্টিন (Cistine)
ঘ) ভ্যালিন (Valine)
Note :

অত্যাবশকীয় অ্যামাইনো এসিড দেহাভ্যন্তরে সংশ্লেষিত হয়না। উদাহরণ- লিউসিন, আইসোলিউসিন, লাইসিন, থ্রিওনিন, ভ্যালিন, মেথিওনিন, ফিনাইল অ্যালানিন এবং ট্রিপটোফ্যান (৮টি)। শিশুদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ১০টি। অতিরিক্ত- আরজিনিন, হিস্টিডিন।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন