ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল-
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক সর্বপ্রথম কোয়ান্টাম-তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে আলোকশক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তিগুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক রঙের আলোর জন্য এই প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে।
- এ সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম (Quantum) বা ফোটন (Photon) বলে।
E = ফোটনের শক্তি,
f = আলোর কম্পাঙ্ক,
A = তরঙ্গদৈর্ঘ্য,
হলে,
E = hf = hc / λ [f = c/λ h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক]
Related Questions
ভিটামিন কে এর প্রভাবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় দেহের ক্ষতস্থানের রক্ত জমাট বাঁধে ও দেহ থেকে অবাঞ্ছিত রক্তপাত বন্ধ হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
আলোর প্রাথমিক রং তিনটি। যথাঃ লাল, নীল ও সবুজ।
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) বিকিরণ ব্যবহার করে, যা আমাদের দৃশ্যমান আলোর সীমার বাইরে, অর্থাৎ মহাজাগতিক ইতিহাসের প্রথম দিকের নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি দেখতে সাহায্য করে, কারণ মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে সেই আলো ইনফ্রারেড বর্ণালীতে স্থানান্তরিত (redshifted) হয়ে গেছে। এটি দৃশ্যমান বর্ণালীর লাল প্রান্ত এবং মধ্য-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্য সনাক্ত করতে পারে, যা মহাকাশের ধুলোর মেঘ ভেদ করে দেখতে এবং ঠান্ডা বস্তু পর্যবেক্ষণে সক্ষম।
প্রকৃতিতে মৌলিক বল চারটি।
এগুলো হলো- ১. মহাকর্ষ বল
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩. সবল নিউক্লিয় বল
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল
অত্যাবশকীয় অ্যামাইনো এসিড দেহাভ্যন্তরে সংশ্লেষিত হয়না। উদাহরণ- লিউসিন, আইসোলিউসিন, লাইসিন, থ্রিওনিন, ভ্যালিন, মেথিওনিন, ফিনাইল অ্যালানিন এবং ট্রিপটোফ্যান (৮টি)। শিশুদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ১০টি। অতিরিক্ত- আরজিনিন, হিস্টিডিন।
লিম্ফোসাইট হল একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লিম্ফোসাইটগুলি তিনটি প্রধান ধরণের হয়: বি-কোষ, টি-কোষ এবং NK কোষ।
বি-কোষ হল সেই কোষ যা এন্টিবডি তৈরি করে। এন্টিবডি হল এক ধরনের প্রোটিন যা নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। যখন একটি বি-কোষ একটি জীবাণুকে শনাক্ত করে, তখন এটি একটি এন্টিবডি তৈরি করে যা সেই জীবাণুর সাথে আবদ্ধ হয়। এই এন্টিবডিগুলি জীবাণুকে ধ্বংস করতে বা দেহ থেকে অপসারণ করতে সহায়তা করে।
জব সলুশন