জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) বিকিরণ ব্যবহার করে, যা আমাদের দৃশ্যমান আলোর সীমার বাইরে, অর্থাৎ মহাজাগতিক ইতিহাসের প্রথম দিকের নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি দেখতে সাহায্য করে, কারণ মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে সেই আলো ইনফ্রারেড বর্ণালীতে স্থানান্তরিত (redshifted) হয়ে গেছে। এটি দৃশ্যমান বর্ণালীর লাল প্রান্ত এবং মধ্য-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্য সনাক্ত করতে পারে, যা মহাকাশের ধুলোর মেঘ ভেদ করে দেখতে এবং ঠান্ডা বস্তু পর্যবেক্ষণে সক্ষম।
Related Questions
প্রকৃতিতে মৌলিক বল চারটি।
এগুলো হলো- ১. মহাকর্ষ বল
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩. সবল নিউক্লিয় বল
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল
অত্যাবশকীয় অ্যামাইনো এসিড দেহাভ্যন্তরে সংশ্লেষিত হয়না। উদাহরণ- লিউসিন, আইসোলিউসিন, লাইসিন, থ্রিওনিন, ভ্যালিন, মেথিওনিন, ফিনাইল অ্যালানিন এবং ট্রিপটোফ্যান (৮টি)। শিশুদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ১০টি। অতিরিক্ত- আরজিনিন, হিস্টিডিন।
লিম্ফোসাইট হল একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লিম্ফোসাইটগুলি তিনটি প্রধান ধরণের হয়: বি-কোষ, টি-কোষ এবং NK কোষ।
বি-কোষ হল সেই কোষ যা এন্টিবডি তৈরি করে। এন্টিবডি হল এক ধরনের প্রোটিন যা নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। যখন একটি বি-কোষ একটি জীবাণুকে শনাক্ত করে, তখন এটি একটি এন্টিবডি তৈরি করে যা সেই জীবাণুর সাথে আবদ্ধ হয়। এই এন্টিবডিগুলি জীবাণুকে ধ্বংস করতে বা দেহ থেকে অপসারণ করতে সহায়তা করে।
গমের মোজাইক ভাইরাস একটি সংক্রামক রোগ যা গমের ফসলকে আক্রান্ত করে। এই ভাইরাস মাইট নামক ক্ষুদ্র পোকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত গাছের রস শুষে নিয়ে এবং সুস্থ গাছে স্থানান্তরিত করে মাইট ভাইরাস ছড়ায়।
লক্ষণ:
- আক্রান্ত গাছের পাতায় সবুজ ও হলুদ রঙের দাগ দেখা যায়।
- পাতা কুঁচকে যায় এবং কমে যায়।
- গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন হ্রাস পায়।
প্রতিরোধ:
- ভাইরাস প্রতিরোধী জাত চাষ করা।
- মাইট নিয়ন্ত্রণের জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা।
- নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করে মাইটের আক্রমণের লক্ষণ শনাক্ত করা।
- আক্রান্ত গাছ ধ্বংস করা।
- জৈব সার ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করা।
জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, সাজানো, বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারকে বায়োইনফরম্যাটিক্স বলে।
বায়োইনফরম্যাটিক্স এমন একটি কৌশল যেখানে ফলিত গণিত, তথ্যবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করা হয়। মূলত জীববিজ্ঞানের আণবিক পর্যায়ে গবেষণাই এখানে অন্তর্ভুক্ত হয়। অর্থ্যাৎ জীব সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রয়োগই হলো বায়োইনফরম্যাটিক্স
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম মূলত দুটি আইসোটোপ দিয়ে গঠিত: 238Uএবং 235U।
- 238Uআইসোটোপের পরিমাণ 99.3%, যেখানে 235U আইসোটোপের পরিমাণ মাত্র 0.7%।
- 238Uআইসোটোপ স্থিতিশীল, যার অর্থ এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভাজিত হয় না।
- 235U আইসোটোপ অস্থিতিশীল, যার অর্থ এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভাজিত হতে পারে এবং পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
উল্লেখ্য, যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
জব সলুশন