বাংলা সাহিত্যের কথা' কার রচিত?
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম আঞ্চলিক অভিধান ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (১৯৬৫)।
এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার একটি সংকলন গ্রন্থ।
তাঁর রচিত ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক অন্যান্য গ্রন্থঃ ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৬৫), ‘ভাষা ও সাহিত্য' (১৯৩১), 'বাংলা সাহিত্যের কথা' (১৯৫৩, ১৯৬৫), ‘বাংলা ব্যাকরণ' (১৯৫৮)।
Related Questions
যা বলা হবে = বক্তব্য।
বলা হয়েছে এমন = উক্ত।
ভাগ্য বা নিয়তি ভবিতব্য ।
অনুমান করা হয়েছে এমন -অনুমিত।
"ব্যায়ামে" শরীর ভাল থাকে - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ‘করণ' শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা – ই করণ কারক। যেমন – ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে।( কিসের দ্বারা ভালো থাকে? ব্যায়ামের )
‘যৌবন’ এর বিপরীত শব্দ হল ‘জরা’।
‘যৌবন’ শব্দের অর্থ হল শরীরের ও মনের পূর্ণতা ও সতেজতা। অন্যদিকে, ‘জরা’ শব্দের অর্থ হল শরীরের ও মনের ক্ষয় ও অবক্ষয়।
কর্মকর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
- যে বাক্যে কর্মকারক কর্তার মতো প্রতীয়মান হয় অর্থ্যাৎ ক্রিয়ার কর্তার মনোযোগ ব্যতীত সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
- ফুল ফোটে।
উল্লেখ্য,
- সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনামূলক ক্রিয়ায় এই বাচ্যের প্রয়োগ দেখা যায়।
'বাংলাদেশ' কবিতাটির রচয়িতা অমিয় চক্রবর্তী। তার 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এ কবিতাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খন্ড বাক্যের পর কমা (, ) ব্যবহৃত হয়। অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কলন (:), একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখতে সেমিকোলন (;) এবং বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় দাড়ি (। ) ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন