চাঁদ দেখা যাচ্ছে'- এ বাক্যে কোন বাচ্যের প্রয়োগ ঘটেছে?
কর্মকর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
- যে বাক্যে কর্মকারক কর্তার মতো প্রতীয়মান হয় অর্থ্যাৎ ক্রিয়ার কর্তার মনোযোগ ব্যতীত সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
- ফুল ফোটে।
উল্লেখ্য,
- সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনামূলক ক্রিয়ায় এই বাচ্যের প্রয়োগ দেখা যায়।
Related Questions
'বাংলাদেশ' কবিতাটির রচয়িতা অমিয় চক্রবর্তী। তার 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এ কবিতাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খন্ড বাক্যের পর কমা (, ) ব্যবহৃত হয়। অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কলন (:), একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখতে সেমিকোলন (;) এবং বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় দাড়ি (। ) ব্যবহৃত হয়।
'Forgery' শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'জালিয়াতি'।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দের বাংলা পরিভাষা:
• Laboratory: পরীক্ষাগার/গবেষণাগার।
• Mass communication: গণযোগাযোগ।
• Manual: ব্যবহারিক নির্দেশিকা/নির্দেশিকা।
• Gazette: প্রজ্ঞাপন/ঘোষণাপত্র।
• Agenda: আলোচ্যসূচি।
• Memorandum: স্মারকলিপি।
• Invoice: প্রেরণপত্র/চালান।
• Constipation: কোষ্ঠবদ্ধতা।
• Descent: অবতরণ।
• Constipation: কোষ্ঠবদ্ধতা।
• Invoice: প্রেরণপত্র/চালান।
বিবর শব্দের অর্থ - গহ্বর, ছিদ্র, গর্ত।
সুভাষ মুখোপাধ্যায় (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯১৯ – ৮ জুলাই ২০০৩) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর উল্লেখযোগ্য বাঙালি কবি ও গদ্যকার। কবিতা তার প্রধান সাহিত্যক্ষেত্র হলেও ছড়া, রিপোর্টাজ, ভ্রমণসাহিত্য, অর্থনীতিমূলক রচনা, বিদেশি গ্রন্থের অনুবাদ, কবিতা সম্পর্কিত আলোচনা, উপন্যাস, জীবনী, শিশু ও কিশোর সাহিত্য সকল প্রকার রচনাতেই তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। সম্পাদনা করেছেন একাধিক গ্রন্থ এবং বহু দেশি - বিদেশি কবিতা বাংলায় অনুবাদও করেছেন। “প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য় এসে গেছে ধ্বংসের বার্তা” বা “ফুল ফুটুক না ফুটুক/আজ বসন্ত” প্রভৃতি তার অমর পঙক্তি বাংলায় আজ প্রবাদতুল্য। পরিণত বয়সে গায়ে খদ্দরের পাঞ্জাবি, পরনে সাদা পায়জামা, মাথাভর্তি ঘন কোঁকড়ানো চুল, বুদ্ধিদীপ্ত ঝকঝকে চোখ, চোখে চশমা, বামে চশমার নিচে বড় একটা আঁচিল - কলকাতার প্রতিবেশে এরকম একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিলেন তিনি।
'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) উপন্যাসটির রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ । লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো - লালসালু (১৯৪৮) , চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪) । শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২) । আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭) । আবু ইসহাকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৫৫) ।
জব সলুশন