ইঙ্গিতময়, অর্থপূর্ণ, ভাবঘন বাক্যকে সম্প্রসারিত করার নাম কী ?
ইঙ্গিতময়, অর্থপূর্ণ, ভাবঘন বাক্যকে সম্প্রসারিত করার নাম ভাবসম্প্রসারণ। ভাবসম্প্রসারণ বলতে কোন রচনার ভাববস্তুকে সম্প্রসারিত করা বোঝায়। অহেতুক বা প্রসঙ্গবিহীন বাক্যের ব্যবহার না করে রচনা সম্পর্কিত বাক্য দিয়ে ভাব ফুটিয়ে তুলতে হবে। মুলভাব, সম্প্রসারিত ভাব, মন্তব্য তিনটি অনুচ্ছেদে লিখতে হবে। মূলভাব সবসময় সহজ, সাবলীল ও ছোট হতে হবে।
Related Questions
অব্যয়ীভাব সমাস:পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। সামীপ্য, অভাব, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন:
পর্যন্ত (আ) অর্থে - পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।
উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-
সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।
সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাক্য সংক্ষেপণ। অহেতুক বা অযথা বাক্যের ব্যবহার না করে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা। অনুচ্ছেদ থেকে লাইন ব্যবহার না করে উপযুক্ত বাক্য দিয়ে মূলভাব উপস্থাপন করা। উক্তির ব্যবহার বর্জন করা।
চাকরীর জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম আবেদনপত্র। চাকরীর আবেদনপত্র লেখার সময় কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হয়। অনেক তথ্য যোগ করতে হয়। প্রতিটা নিয়ম মেনে চলে উপযুক্ত তথ্য বা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়।
গুরুচণ্ডালী দোষ : বাংলা গদ্যে দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণ বা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শবপোড়া ( শব মানে মরা আর দাহ মানে পোড়া)। যদি " শবদাহ " বা " মরা পোড়া" না বলে শবপোড়া বলা হয়, তাহলে সেটা গুরুচণ্ডালী দোষ হবে।
জব সলুশন