চাকরীর জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম কি ?
চাকরীর জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম আবেদনপত্র। চাকরীর আবেদনপত্র লেখার সময় কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হয়। অনেক তথ্য যোগ করতে হয়। প্রতিটা নিয়ম মেনে চলে উপযুক্ত তথ্য বা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়।
Related Questions
গুরুচণ্ডালী দোষ : বাংলা গদ্যে দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণ বা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শবপোড়া ( শব মানে মরা আর দাহ মানে পোড়া)। যদি " শবদাহ " বা " মরা পোড়া" না বলে শবপোড়া বলা হয়, তাহলে সেটা গুরুচণ্ডালী দোষ হবে।
» ‘ইঁদুর কপালে' বাগধারার অর্থ নিতান্ত মন্দ ভাগ্য।
» ‘একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়; যা পরস্পর বিপরীত অর্থ বহন করে।
বাড়ী বা রাস্তার নামের পরে কমা বসে।
যেমনঃ ৬৫, চাঁদপুর রোড, ঢাকা।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো:
- সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
অপরদিকে,
- চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়।
অপরদিকে,
- চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)।
জব সলুশন