“সারাংশ লিখন” শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ?
সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাক্য সংক্ষেপণ। অহেতুক বা অযথা বাক্যের ব্যবহার না করে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা। অনুচ্ছেদ থেকে লাইন ব্যবহার না করে উপযুক্ত বাক্য দিয়ে মূলভাব উপস্থাপন করা। উক্তির ব্যবহার বর্জন করা।
Related Questions
চাকরীর জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম আবেদনপত্র। চাকরীর আবেদনপত্র লেখার সময় কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হয়। অনেক তথ্য যোগ করতে হয়। প্রতিটা নিয়ম মেনে চলে উপযুক্ত তথ্য বা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়।
গুরুচণ্ডালী দোষ : বাংলা গদ্যে দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণ বা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শবপোড়া ( শব মানে মরা আর দাহ মানে পোড়া)। যদি " শবদাহ " বা " মরা পোড়া" না বলে শবপোড়া বলা হয়, তাহলে সেটা গুরুচণ্ডালী দোষ হবে।
সুলিখিত পত্র অনেক সময় সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করে। চিঠিপত্রের ভাষা সুন্দর, মার্জিত ও গভীর ভাবপূর্ণ হলে তা কেবল যোগাযোগের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং উচ্চমানের সাহিত্য বা সাহিত্যের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
ঠিক বানানটি হলো: শুশ্রূষা।
বানান বিশ্লেষণ: তালব্য 'শ'-এ হ্রস্ব উকার (শু) ,মূর্ধন্য 'ষ'-এ দীর্ঘ ঊকার (শ্রূ) ,মূর্ধন্য 'ষ'-এ আকার (ষা
» ‘ইঁদুর কপালে' বাগধারার অর্থ নিতান্ত মন্দ ভাগ্য।
» ‘একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়; যা পরস্পর বিপরীত অর্থ বহন করে।
বাড়ী বা রাস্তার নামের পরে কমা বসে।
যেমনঃ ৬৫, চাঁদপুর রোড, ঢাকা।
জব সলুশন