কম্পিউটার টু কম্পিউটার তথ্য আদান প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয়—
ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি।
- এটি বিভিন্ন ধরণের যোগাযোগ মাধ্যম, যেমন টেলিফোন লাইন, কেবল লাইন, এবং উপগ্রহের মাধ্যমে সংযুক্ত।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন উপায়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
• ইমেইল: ইমেইল (ইলেকট্রনিক মেইল) হলো বার্তা পাঠানোর একটি জনপ্রিয় উপায়।
• ওয়েব ব্রাউজিং: ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটে প্রকাশিত ওয়েবসাইটগুলি দেখতে পারে।
• ফাইল শেয়ারিং: কম্পিউটারগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল শেয়ার করতে পারে।
• সোশ্যাল মিডিয়া: সোশ্যাল মিডিয়ায়, লোকেরা একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে এবং তথ্য শেয়ার করতে পারে।
• ভয়েস ও ভিডিও কল: ইন্টারনেট ব্যবহার করে লোকেরা একে অপরের সাথে কথা বলতে এবং ভিডিও কল করতে পারে।
Related Questions
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তর হল তাপমণ্ডল যা আয়নোস্ফিয়ার, এক্রোস্ফিয়ার ও ম্যাগনিটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত। মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমন্ডল বলে। বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ার থেকে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই ট্রপোমন্ডল স্তরে সৃষ্টি হয়।
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার।
- অপরদিকে বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার 'A Brief History of Time's গ্রন্থে বিগব্যাঙ তত্ত্বের পক্ষে যুক্তি দেন এবং পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে এর ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা পিসিকালচার। রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা সেরিকালচার । মৌমাছি পালন সম্পর্কিত বিদ্যা এপিকালচার।
হিলিয়াম পর্যায় সারণির ২য় মৌল। এর প্রতীক He। এটি পর্যায় সারণি ১ম পর্যায়ের শূন্য গ্রুপ - ২ এ অবস্থিত। ভরের দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয়; মৌলিক পদার্থের মধ্যে একমাত্র হাইড্রোজেনের চেয়ে হালকা। হিলিয়াম একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এই মৌলিক পদার্থের পারমাণবিক সংখ্যা ২।
বিদ্যুৎ চমকালে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর আমরা সাধারণ দিনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার থেকে আলাদা কিছুই নয়। যখন আকাশে অনেক মেঘ করে তখন জলীয়বাষ্পগুলো এত ঠান্ডা হয়ে যায় যে বরফের আকার ধারণ করে এবং এগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এই সব সংঘর্ষের ফলে ইলেক্ট্রিক চার্জ এর উৎপত্তি হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় মেঘের ঐ পুরো এলাকাটুকুই ইলেক্ট্রিক চার্জ এ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মেঘের উপরে পজিটিভ চার্জ আর নিচে সৃষ্টি হয় নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাই মেঘের নিচের দিকে থাকা নেগেটিভ চার্জগুলো ভূমিতে বিদ্যমান অসংখ্য পজিটিভ চার্জ এর দিকে আসতে চায় আর যখনই তা কোন পর্বত, মানুষ বা একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন গাছের কাছাকাছি আসে তার দিকে ছুটে যায়। উঁচু পর্বত বা গাছের মাথায় সহজেই পজিটিভ চার্জ গুলো পৌঁছতে পারে তাই এসব স্থানে বিদ্যুৎ পড়ার হার ও অনেক বেশি।
জব সলুশন