আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়–
বিদ্যুৎ চমকালে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর আমরা সাধারণ দিনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার থেকে আলাদা কিছুই নয়। যখন আকাশে অনেক মেঘ করে তখন জলীয়বাষ্পগুলো এত ঠান্ডা হয়ে যায় যে বরফের আকার ধারণ করে এবং এগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এই সব সংঘর্ষের ফলে ইলেক্ট্রিক চার্জ এর উৎপত্তি হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় মেঘের ঐ পুরো এলাকাটুকুই ইলেক্ট্রিক চার্জ এ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মেঘের উপরে পজিটিভ চার্জ আর নিচে সৃষ্টি হয় নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাই মেঘের নিচের দিকে থাকা নেগেটিভ চার্জগুলো ভূমিতে বিদ্যমান অসংখ্য পজিটিভ চার্জ এর দিকে আসতে চায় আর যখনই তা কোন পর্বত, মানুষ বা একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন গাছের কাছাকাছি আসে তার দিকে ছুটে যায়। উঁচু পর্বত বা গাছের মাথায় সহজেই পজিটিভ চার্জ গুলো পৌঁছতে পারে তাই এসব স্থানে বিদ্যুৎ পড়ার হার ও অনেক বেশি।
Related Questions
কাজের একক--- জুল,বলের একক ---ডাইন
ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা-
- স্টেপ ডাউন বা নিম্নধাপী - উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্ন ভোল্ট পাওয়া যায়, এবং
- স্টেপ আপ বা উচ্চধাপী- নিম্ন ভোল্ট থেকে উচ্চতর ভোল্ট পাওয়া যায় ।
•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।
•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।
জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।
বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।
সঠিক উত্তর D2O, ভারী পানির রাসায়নিক নাম ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। হাইড্রোজেনের ১ টি নিউট্রন। বিশিষ্ট আইসোটোপকে ডিউটেরিয়াম বলে। একে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই ভারী পানির সংকেত D2O লেখা হয়।
আইসোটোপ (Isotope) হলো একই মৌলের ভিন্ন ভিন্ন ভরের পরমাণু।
⇒ আইসোটোপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এদের নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) সর্বদা সমান থাকে।
⇒ কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভরসংখ্যা (Mass Number) আলাদা হয়।
⇒ উদাহরণস্বরূপ: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম)—সবারই প্রোটন ১টি, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা যথাক্রমে ০, ১ ও ২।
অর্ধপরিবাহী হলো সেই বস্তু যার পরিবাহকত্ব অন্তরকের চেয়ে বেশি কিন্তু পরিবাহকের তুলনায় কম। তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অর্ধপরিবাহী পদার্থের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী। লোহা অর্ধপরিবাহী নয়। লোহা তড়িৎ পরিবাহক।
জব সলুশন