‘এপিকালচার’ বলতে বুঝায়–

ক) রেশমের চাষ
খ) মৎস্য চাষ
গ) মৌমাছির চাষ
ঘ) পাখিপালন বিদ্যা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা পিসিকালচার। রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা সেরিকালচার । মৌমাছি পালন সম্পর্কিত বিদ্যা এপিকালচার।

Related Questions

ক) হিলিয়াম
খ) নিয়ন
গ) আর্গন
ঘ) জেনন
Note :

হিলিয়াম পর্যায় সারণির ২য় মৌল। এর প্রতীক He। এটি পর্যায় সারণি ১ম পর্যায়ের শূন্য গ্রুপ - ২ এ অবস্থিত। ভরের দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয়; মৌলিক পদার্থের মধ্যে একমাত্র হাইড্রোজেনের চেয়ে হালকা। হিলিয়াম একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এই মৌলিক পদার্থের পারমাণবিক সংখ্যা ২।

ক) মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণা মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
খ) দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
গ) মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
ঘ) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
Note :

বিদ্যুৎ চমকালে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় আর আমরা সাধারণ দিনে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার থেকে আলাদা কিছুই নয়। যখন আকাশে অনেক মেঘ করে তখন জলীয়বাষ্পগুলো এত ঠান্ডা হয়ে যায় যে বরফের আকার ধারণ করে এবং এগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এই সব সংঘর্ষের ফলে ইলেক্ট্রিক চার্জ এর উৎপত্তি হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় মেঘের ঐ পুরো এলাকাটুকুই ইলেক্ট্রিক চার্জ এ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মেঘের উপরে পজিটিভ চার্জ আর নিচে সৃষ্টি হয় নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাই মেঘের নিচের দিকে থাকা নেগেটিভ চার্জগুলো ভূমিতে বিদ্যমান অসংখ্য পজিটিভ চার্জ এর দিকে আসতে চায় আর যখনই তা কোন পর্বত, মানুষ বা একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন গাছের কাছাকাছি আসে তার দিকে ছুটে যায়। উঁচু পর্বত বা গাছের মাথায় সহজেই পজিটিভ চার্জ গুলো পৌঁছতে পারে তাই এসব স্থানে বিদ্যুৎ পড়ার হার ও অনেক বেশি।

ক) নিউটন ও মিটার
খ) জুল ও ডাইন
গ) ওয়াট ও পাউন্ড
ঘ) প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
Note :

কাজের একক--- জুল,বলের একক ---ডাইন

ক) ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
খ) স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
গ) স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে
ঘ) এডাপ টরের সাহায্যে
Note :

 ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা-
- স্টেপ ডাউন বা নিম্নধাপী - উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্ন ভোল্ট পাওয়া যায়, এবং
- স্টেপ আপ বা উচ্চধাপী- নিম্ন ভোল্ট থেকে উচ্চতর ভোল্ট পাওয়া যায় ।

ক) ইলেকট্রন বর্জন
খ) ইলেক্ট্রন গ্রহণ
গ) ইলেকট্রন আদান প্রদান
ঘ) তড়িৎ ধনাত্নক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
Note :

•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।

•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।

জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।

বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।

ক) 2H2O2
খ) H2O
গ) D2O
ঘ) HD2O2
Note :

সঠিক উত্তর D2O, ভারী পানির রাসায়নিক নাম ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। হাইড্রোজেনের ১ টি নিউট্রন। বিশিষ্ট আইসোটোপকে ডিউটেরিয়াম বলে। একে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই ভারী পানির সংকেত D2O লেখা হয়।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন