আলাওলের ‘তোহফা’ কোন ধরনের কাব্য?
-আলাওলের 'তোহফা' কাব্য গ্রন্থটি বিখ্যাত সুফী সাধক শেখ ইউসুফ গদা দেহলভীর 'তোহ্ফাতুন নেসায়েহ্'
নামক ফারসি গ্রন্থের অনুবাদ। 'তোহফা ' গ্রন্থটি কাব্যাকারে রচিত হলেও ধর্মীয় নীতিকথাই এতে রুপ লাভ করেছে।
Related Questions
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' কাব্য এক ধরনের পত্রকাব্য।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। তার আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হলো - The captive Lady, তিলোত্তমাসম্ভব, ব্রজাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলী। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'তিলোত্তমাসম্ভব'। তবে মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দের সর্বপ্রথম প্রয়োগ ঘটান তার 'পদ্মাবতী' নাটকে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৭-১৮৯৫ সময়কালে ভ্রাতুষ্পুত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীকে যে সকল চিঠি লিখেছিলেন ‘ছিন্নপত্র’ প্রধানত তারই সংকলন।
- বহু চিঠিই রবীন্দ্রনাথ ‘ছিন্নপত্র’–এ অন্তর্ভুক্ত করেননি।
- ইন্দিরা দেবী (১৮৭৯ - ১৯২২) (Indira Debi) একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং কবি। তিনি কলকাতার নিবাসী ছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মুকুন্দদেব মুখোপাধ্যায় এবং পিতামহ ভূদেব মুখোপাধ্যায়।
- তাঁর স্বামীর নাম ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়। ঔপন্যাসিক অনুরূপা দেবী ছিলেন তাঁর বোন।
- নাট্যশালার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নাট্যকার নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাঁর মাতামহ।
- ইন্দিরা দেবীর প্রকৃত নাম ছিল সুরূপা। তিনি লেখালেখি করার জন্য ইন্দিরা দেবী নাম ব্যবহার করতেন।
- ইন্দিরা দেবী ছোটবেলায় ঠাকুরদা ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের যত্নে শিক্ষিতা হয়েছিলেন ।
- তিনি ছোটবেলাতেই সংস্কৃত কাব্যের অনুবাদ করেছিলেন। স্বর্ণকুমারী দেবীর উৎসাহে তিনি রচনা প্রকাশে উদ্যোগী
● পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস: ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান নাম: আম্বিকাপুর) । তিনি ১৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
'বিদ্রোহী' কবিতা 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্গত।
কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের আরো কয়েকটি কবিতা হলো - প্রলয়োল্লাস, রক্তাস্বরধারিণী মা, ধুমকেতু, কামালপাশা, খেয়াপারের তরণী, মহররম।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮ - ১৮৯৪) রচিত 'আনন্দ মঠ' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো : দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) , কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) , মৃণালিনী (১৮৬৯) , বিষবৃক্ষ(১৮৭৩), রজনী (১৮৭৭) , কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮) ও সীতারাম (১৮৮৭)। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত প্রতিনিধিস্থানীয় উপন্যাস হলো : চৈতালী ঘূর্ণি (১৯৩১), ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯) , কালিন্দী (১৯৪০) , পঞ্চপুণ্ডলী (১৯৫৬), রাধা (১৯৫৭) । শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো : বিরাজ বৌ (১৯১৪) , পল্লী সমাজ (১৯১৬), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) , দেবদাস (১৯১৭) , গৃহদাহ (১৯২০) , শ্রীকান্ত [১ম - ৪র্থ খণ্ড (১৯১৭ - ১৯১৮, ১৯২৭, ১৯৩৩)।
বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১) বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। এজন্য তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। বিদ্যাসাগরের বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে (১৮৩৮ - ১৮৯৪) 'বাংলা উপন্যাসের জনক' বলা হয়। উইলিয়াম কেরি (১৭৬১ - ১৮৩৪) ছিলেন বাংলায় গদ্য পাঠ্যপুস্তকের প্রবর্তক। বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে (১৮৬১ - ১৯৪১) 'বাংলা ছোটগল্পের জনক ' বলা হয়।
জব সলুশন