৭ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

ক) ৯৮ বর্গ সে.মি.
খ) ৪৯ বর্গ সে.মি.
গ) ১৯৬ বর্গ সে.মি.
ঘ) ১৪৬ বর্গ সে.মি.
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বৃত্তের ব্যাস হবে = ৭  +  ৭ =  ১৪ সে.মি.

 

আমরা জানি, বর্গের কর্ন = √২.a

 

                বর্গের ক্ষেত্রফল = a২

 

সুতরাং বর্গের কর্ন, √২.a = ১৪

 

                  = >a = ১৪/√২

 

                 = >a২ = (১৪/√২)২

 

           = >a২ = ৯৮ ব.সে.মি.

Related Questions

ক) x + y + 1
খ) xy
গ) xy + 2
ঘ) x + y
Note :

ধরি, x এবং y প্রত্যেকের মান 1 

তাহলে প্রদত্ত মানটি দাঁড়ায় x + y + + 1 = 1 + 1 + 1 = 3 

(বিজোড়) xy =1×1=1 (

 বিজোড়) xy +2= 1×1+2=3

 ( বিজোড়) x + y =1 +1 =2 (জোড়।)

ক) ছায়াবৃত্ত
খ) গুরুবৃত্ত
গ) ঊষা
ঘ) গোধূলি
Note :

ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত বলে।

সূর্য সকালে দিগন্তের উপরে ওঠার আগে ঊষা এবং সন্ধ্যার দিগন্তের নিচে নেমে যাবার পর কিছুক্ষণ বিক্ষিপ্ত সৌরভ আকাশে আলো থাকে, এ সময়কে গোধূলি বলে।

ক) সাইট্রিক অ্যাসিড
খ) নাইট্রিক অ্যাসিড
গ) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
ঘ) টারটারিক অ্যাসিড
Note :

নাইট্রোজেন অক্সাইডের সাথে পানির বিক্রিয়ায় নাইট্রিক এসিড তৈরি হয় ।
- বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ান সর্বপ্রথম নাইট্রিক এসিড তৈরি করেন ।
- স্বর্ণের খাদ বের করার জন্য নাইট্রিক এসিড দিয়ে পোড়ানো হয়।
- এছাড়া এটি সার কারখানা ও বৈদ্যুতিক সেল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
- আর স্বর্ণের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় সালফিউরিক এসিড ।

ক) ওডোমিটার
খ) ক্রনমিটার
গ) ট্যাকোমিটার
ঘ) ক্রেসকোগ্রাফ
Note :

উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'অক্সানোমিটার '
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ পরিমাপক ক্যালোরিমিটার(calorimeter) 
- রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'স্ফিগমোম্যানোমিটার'
- তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'ক্যালরিমিটার '
- পটোমিটার ব্যবহার করা হয় একটি উদ্ভিদের ট্রান্সপিরেশন রেট পরিমাপ করার জন্য।
 

ক) ডায়োড
খ) ট্রান্সফরমার
গ) ট্রানজিস্টার
ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
Note :

পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন প্রধানত ট্রান্সফরমারে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি কুণ্ডলীর তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন করে অন্য কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। 

ক) এক কিলোওয়াট ঘন্টা
খ) এক ওয়াট-ঘন্টা
গ) এক কিলোওয়াট
ঘ) এ ওয়াট
Note :

∎ এক কিলোওয়াট ঘণ্টা হল শক্তির একক, যা ৩৬,০০,০০০ জুল শক্তি বা কাজের সমতুল্য। অর্থাৎ ১ কিলোওয়াট বা ১০০০ ওয়াট ক্ষমতায় ১ ঘন্টায় সম্পাদিত কাজের পরিমাণকে কিলোওয়াট ঘণ্টা বলে। সাধারণতঃ বিদ্যুৎ সরবরাহে এই এককটি ব্যবহৃত হয়।

∎ বেতার সম্প্রচার কেন্দ্রের ক্ষমতা হিসাব করাতেও ওয়াট ব্যবহৃত হয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন