x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা হলে কোনটি জোড় সংখ্যা হবে?
ধরি, x এবং y প্রত্যেকের মান 1
তাহলে প্রদত্ত মানটি দাঁড়ায় x + y + + 1 = 1 + 1 + 1 = 3
(বিজোড়) xy =1×1=1 (
বিজোড়) xy +2= 1×1+2=3
( বিজোড়) x + y =1 +1 =2 (জোড়।)
Related Questions
ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত বলে।
সূর্য সকালে দিগন্তের উপরে ওঠার আগে ঊষা এবং সন্ধ্যার দিগন্তের নিচে নেমে যাবার পর কিছুক্ষণ বিক্ষিপ্ত সৌরভ আকাশে আলো থাকে, এ সময়কে গোধূলি বলে।
নাইট্রোজেন অক্সাইডের সাথে পানির বিক্রিয়ায় নাইট্রিক এসিড তৈরি হয় ।
- বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ান সর্বপ্রথম নাইট্রিক এসিড তৈরি করেন ।
- স্বর্ণের খাদ বের করার জন্য নাইট্রিক এসিড দিয়ে পোড়ানো হয়।
- এছাড়া এটি সার কারখানা ও বৈদ্যুতিক সেল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
- আর স্বর্ণের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় সালফিউরিক এসিড ।
উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'অক্সানোমিটার '
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ পরিমাপক ক্যালোরিমিটার(calorimeter)
- রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'স্ফিগমোম্যানোমিটার'
- তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম 'ক্যালরিমিটার '
- পটোমিটার ব্যবহার করা হয় একটি উদ্ভিদের ট্রান্সপিরেশন রেট পরিমাপ করার জন্য।
পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন প্রধানত ট্রান্সফরমারে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি কুণ্ডলীর তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন করে অন্য কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়।
∎ এক কিলোওয়াট ঘণ্টা হল শক্তির একক, যা ৩৬,০০,০০০ জুল শক্তি বা কাজের সমতুল্য। অর্থাৎ ১ কিলোওয়াট বা ১০০০ ওয়াট ক্ষমতায় ১ ঘন্টায় সম্পাদিত কাজের পরিমাণকে কিলোওয়াট ঘণ্টা বলে। সাধারণতঃ বিদ্যুৎ সরবরাহে এই এককটি ব্যবহৃত হয়।
∎ বেতার সম্প্রচার কেন্দ্রের ক্ষমতা হিসাব করাতেও ওয়াট ব্যবহৃত হয়।
∎তামা:
তামা (Copper) একটি রাসায়নিক মৌল যার চিহ্ন Cu এসেছে ল্যাটিন শব্দ কিউপ্রাম (cuprum) থেকে এবং এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯। তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবাহীতা খুব উঁচু দরের তাই অনেক বীজলি বাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে । বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণ সমন্বিত কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু (যেমন ব্রোঞ্জ, পিতলইত্যাদি) অনেক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী।
∎দস্তা:
দস্তা বা জিংক নীলাভ-সাদা ধাতু। লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার পরে দস্তাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু। ইস্পাতের মরিচা রোধে দস্তার প্রলেপ দেয়া হয়। পিতল, নিকেল সিলভার, ইত্যাদি সংকর ধাতুতে দস্তা ব্যবহৃত হয়। অ্যাল্কালাইন ব্যাটারিতে অ্যানোড হিসেবে দস্তা ব্যবহৃত হয়। জিংক অক্সাইড সাদা রং হিসেবে এবং রবার শিল্পে সক্রিয়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জিঙ্ক ক্লোরাইড দুর্গন্ধনাশক ও কাঠ সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন