পারস্পরিক আবেশকে ব্যবহার করা হয় কোনটিতে?

ক) ডায়োড
খ) ট্রান্সফরমার
গ) ট্রানজিস্টার
ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

পারস্পরিক আবেশ বা মিউচুয়াল ইনডাকশন প্রধানত ট্রান্সফরমারে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি কুণ্ডলীর তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন করে অন্য কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। 

Related Questions

ক) এক কিলোওয়াট ঘন্টা
খ) এক ওয়াট-ঘন্টা
গ) এক কিলোওয়াট
ঘ) এ ওয়াট
Note :

∎ এক কিলোওয়াট ঘণ্টা হল শক্তির একক, যা ৩৬,০০,০০০ জুল শক্তি বা কাজের সমতুল্য। অর্থাৎ ১ কিলোওয়াট বা ১০০০ ওয়াট ক্ষমতায় ১ ঘন্টায় সম্পাদিত কাজের পরিমাণকে কিলোওয়াট ঘণ্টা বলে। সাধারণতঃ বিদ্যুৎ সরবরাহে এই এককটি ব্যবহৃত হয়।

∎ বেতার সম্প্রচার কেন্দ্রের ক্ষমতা হিসাব করাতেও ওয়াট ব্যবহৃত হয়।

ক) তামা ও টিন
খ) তামা ও দস্তা
গ) তামা ও নিকেল
ঘ) তামা ও সিসা
Note :

 ∎তামা:

তামা (Copper) একটি রাসায়নিক মৌল যার চিহ্ন Cu এসেছে ল্যাটিন শব্দ কিউপ্রাম (cuprum) থেকে এবং এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯। তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবাহীতা খুব উঁচু দরের তাই অনেক বীজলি বাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে । বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণ সমন্বিত কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু (যেমন ব্রোঞ্জ, পিতলইত্যাদি) অনেক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী।

∎দস্তা:

দস্তা বা জিংক নীলাভ-সাদা ধাতু। লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার পরে দস্তাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু। ইস্পাতের মরিচা রোধে দস্তার প্রলেপ দেয়া হয়। পিতল, নিকেল সিলভার, ইত্যাদি সংকর ধাতুতে দস্তা ব্যবহৃত হয়। অ্যাল্কালাইন ব্যাটারিতে অ্যানোড হিসেবে দস্তা ব্যবহৃত হয়। জিংক অক্সাইড সাদা রং হিসেবে এবং রবার শিল্পে সক্রিয়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জিঙ্ক ক্লোরাইড দুর্গন্ধনাশক ও কাঠ সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ক) আয়না বায়ু
খ) প্রত্যায়ন বায়ু
গ) মৌসুমী বায়ু
ঘ) নিয়ত বায়ু
Note :

নিয়ত বায়ুপ্রবাহ [Planetary or Permanent wind]:- বায়ুচাপের পার্থক্যই নিয়ত বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ, যেখানে বায়ুচাপ বেশি, সেখান থেকে যেদিকে বায়ুচাপ কম, সেদিকেই বায়ু প্রবাহিত হয় । এই নিয়ম মেনে পৃথিবীর চারটি স্থায়ী উচ্চচাপ বলয় থেকে তিনটি স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে ও নির্দিষ্ট গতিতে প্রবাহিত বায়ুই হল নিয়তবায়ু প্রবাহ । নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিনরকমের হয় যথা:-

[ক] আয়নবায়ু,   [খ] পশ্চিমাবায়ু এবং  [গ] মেরুদেশীয় বায়ু । বায়ুচাপ বলয়ের সঙ্গে এগুলির ঘনিষ্ট সম্পর্ক আছে ।

 

[ক] আয়নবায়ু [Trade Wind]:- আয়ন কথার অর্থ 'পথ' । জাহাজকে সঠিক পথে চলার জন্য এই বায়ু সাহায্য করত বলে একে আয়নবায়ু বলা হয় ।

(i)  উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে এবং নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত বায়ুকে আয়নবায়ু বলে 

পশ্চিমাবায়ু [Westerlies]:- উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে প্রবাহিত বায়ুপ্রবাহ পশ্চিমাবায়ু নামে পরিচিত ।আয়নবায়ুর গতির ঠিক উল্টো দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবাহকে প্রত্যায়ন বায়ু ও বলা হয় । 

মৌসুমিবায়ু হল সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ুর ব্যাপক সংস্করণ । মৌসুমি বায়ু হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে প্রবাহিত বায়ু।

 

ক) জন্ডিস
খ) টাইফয়েড
গ) হাম
ঘ) কলেরা
Note :

জন্ডিস কোনো একক রোগ নয়; এটি যকৃত বা লিভারের সমস্যার একটি প্রধান লক্ষণ বা উপসর্গ, যার কারণে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। যকৃতের আসল রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস এবং ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

ক) প্রতিসরণ
খ) বিচ্ছুরণ
গ) অপবর্তন
ঘ) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
Note :

অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তু । যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে , তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে যতক্ষণ পর্যন্ত না অপর প্রান্ত দিয়ে আলোক রশ্মি নির্গত হয় । আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয় ।

ক) অপুষ্পক উদ্ভিদ
খ) পরজীবী উদ্ভিদ
গ) ফাঙ্গাস
ঘ) অর্কিড
Note :

মাশরুম (Mushroom) এক ধরনের ছত্রাক এবং এদের অধিকাংশই ব্যাসিডিওমাইকোটা এবং কিছু অ্যাসকোমাইকোটার অন্তভুক্ত।
- অন্যান্য উদ্ভিদের ন্যায় মাশরুমের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরীর জন্য সূর্য থেকে আলোর প্রয়োজন পড়ে না।
- চীন, কোরিয়াসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশসমূহে কয়েক ধরনের খাদ্যোপযোগী মাশরুম রান্না করার মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- বাংলাদেশেও আধুনিক খাবার হিসেবে মাশরুমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটছে।
- যে সকল ব্যক্তি মাশরুম সংগ্রহ করে খায়, তারা মাইকোফেজিস্টস বা 'মাশরুম খাদক' হিসেবে পরিচিত হন।
- মাশরুম খোঁজার প্রক্রিয়াকে সাধারণতঃ মাশরুমিং বা মাশরুম শিকারী নামে অভিহিত করা হয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন