‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন-

ক) রামাই পণ্ডিত
খ) শ্রীকর নন্দী
গ) বিজয় গুপ্ত
ঘ) লোচন দাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

 শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা রামাই পন্ডিত। এটি একটি চম্পুকাব্য, যাতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই মিশ্রিত রয়েছে।
শূন্যপুরাণের রচনাকাল ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ধারণা করা হয়।
এটি হিন্দু দেবতা শিবের জীবন ও কর্মকীর্তি নিয়ে রচিত একটি ধর্মীয় মহাকাব্য।
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই যুগে বাংলা সাহিত্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
 শূন্যপুরাণে রামাই পন্ডিত শিবের জীবন ও কর্মকীর্তিকে বর্ণনা করেছেন একটি কল্পিত দ্বীপ শূন্যপুরের পটভূমিতে।
 কাব্যটিতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্যগুলি মূলত শিবের গুণগান ও বীরত্বের বর্ণনা করে, যখন গদ্য অংশগুলি কাহিনী বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।

Related Questions

ক) ম্যাজেন্টা
খ) পিস্তল
গ) আলমারি
ঘ) কমা
ক) অর্ধচেতন
খ) অবচেতন
গ) চেতনাহীন
ঘ) চেতনাপ্রবাহ
Note :

'Subconscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি ) সচেতন থাকে না। অন্যদিকে (গ) 'চেতনাহীন' শব্দটির ইংরেজি ' Unconscious' ।


 

ক) কলাপী
খ) নীরধি
গ) বিটপী
ঘ) অবনি
Note :

বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘বিটপী’। এর আরো কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো – গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু, পাদপ ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে, ‘কলাপী’ হচ্ছে ময়ূর শব্দে ‘নীরধি’ হচ্ছে ‘সাগর’ শব্দের এবং
অবনি’ হচ্ছে পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ।

ক) ২৪ সে. মি.
খ) ১৮ সে. মি.
গ) ৩৬ সে. মি.
ঘ) ১২ সে. মি.
Note :

আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ২ কর্ণের গুনফল
={(১/২) × ৮ × ৯ } বর্গ সে.মি.
=৩৬  বর্গ সে.মি. = বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল

বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য = √৩৬ সে.মি.
=৬ সে.মি.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = (৪ × ৬) সে.মি. =২৪ সে.মি.

ক) ৭.৫ সে:মি:
খ) ৬.৫ সে:মি:
গ) ৬ সে:মি:
ঘ) ৭ সে:মি:
Note :

প্রদত্ত ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩ সে.মি., ৪ সে.মি. এবং ৫ সে.মি।
ঘনকের আয়তন = বাহুর ঘনফল, তাই

৩³ + ৪³ + ৫³ = ২৭ + ৬৪ + ১২৫ = ২১৬

নতুন ঘনকের আয়তন = ২১৬, তাহলে নতুন ঘনকের বাহু x মি:

x³ = ২১৬ → x = ৬ সে.মি।

অতএব, নূতন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সে.মি।

ক) ৬০ বর্গমিটার
খ) ৯৬ বর্গমিটার
গ) ৭২ বর্গমিটার
ঘ) ৬৪ বর্গমিটার
Note :

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা, ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) এবং ক্ষেত্রফল = ক × খ

একটি আয়তকার ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যএর ২/৩ অংশ.

দৈর্ঘ্য ধরতে হবে, ৩ক এবং প্রস্থ হবে ২ক

২(৩ক + ২ক) = ৪০

⇒ ১০ ক = ৪০

∴ ক = ৪

অতএব, ক্ষেত্রফল = ৩ক× ২ক

= ৩.৪ × ২.৪

= ১২ × ৮

= ৯৬

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন