‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন-
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা রামাই পন্ডিত। এটি একটি চম্পুকাব্য, যাতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই মিশ্রিত রয়েছে।
শূন্যপুরাণের রচনাকাল ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ধারণা করা হয়।
এটি হিন্দু দেবতা শিবের জীবন ও কর্মকীর্তি নিয়ে রচিত একটি ধর্মীয় মহাকাব্য।
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই যুগে বাংলা সাহিত্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
শূন্যপুরাণে রামাই পন্ডিত শিবের জীবন ও কর্মকীর্তিকে বর্ণনা করেছেন একটি কল্পিত দ্বীপ শূন্যপুরের পটভূমিতে।
কাব্যটিতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্যগুলি মূলত শিবের গুণগান ও বীরত্বের বর্ণনা করে, যখন গদ্য অংশগুলি কাহিনী বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
'Subconscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি ) সচেতন থাকে না। অন্যদিকে (গ) 'চেতনাহীন' শব্দটির ইংরেজি ' Unconscious' ।
বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘বিটপী’। এর আরো কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো – গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু, পাদপ ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে, ‘কলাপী’ হচ্ছে ময়ূর শব্দে ‘নীরধি’ হচ্ছে ‘সাগর’ শব্দের এবং
অবনি’ হচ্ছে পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ।
আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ২ কর্ণের গুনফল
={(১/২) × ৮ × ৯ } বর্গ সে.মি.
=৩৬ বর্গ সে.মি. = বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল
বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য = √৩৬ সে.মি.
=৬ সে.মি.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = (৪ × ৬) সে.মি. =২৪ সে.মি.
প্রদত্ত ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩ সে.মি., ৪ সে.মি. এবং ৫ সে.মি।
ঘনকের আয়তন = বাহুর ঘনফল, তাই
৩³ + ৪³ + ৫³ = ২৭ + ৬৪ + ১২৫ = ২১৬
নতুন ঘনকের আয়তন = ২১৬, তাহলে নতুন ঘনকের বাহু x মি:
x³ = ২১৬ → x = ৬ সে.মি।
অতএব, নূতন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সে.মি।
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা, ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) এবং ক্ষেত্রফল = ক × খ
একটি আয়তকার ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যএর ২/৩ অংশ.
দৈর্ঘ্য ধরতে হবে, ৩ক এবং প্রস্থ হবে ২ক
২(৩ক + ২ক) = ৪০
⇒ ১০ ক = ৪০
∴ ক = ৪
অতএব, ক্ষেত্রফল = ৩ক× ২ক
= ৩.৪ × ২.৪
= ১২ × ৮
= ৯৬
জব সলুশন