'পোস্টাল কোড' কী নির্দেশ করে?

ক) প্রাপকের এলাকা
খ) ডাকবিভাগের নাম
গ) পোস্ট অফিসের নাম
ঘ) প্রেরকের এলাকা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

পোস্টাল কোড একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ । নিজের ঠিকানার পূর্ণতা দান করতে পোস্টাল কোডের কোন বিকল্প নেই।এছাড়া শেয়ার বাজারের স্টক হোল্ডারদের এনুয়াল রিপোর্ট/প্রসপেক্টাস পোস্টাল কোড অনুসারে ডাক বক্সএ এসে থাকে। আবার অনেক সময় চাকরির ইন্টারভিউর তারিখ/সময়, এপইন্টমেন্ট লেটার  ইত্যাদি ডাক যোগে প্রেরন করা হয়। বিভিন্ন সময়ে আমাদের চিঠি আদান প্রদান ও দাপ্তরিক কাজে পোস্টাল কোড ব্যবহার করতে হয়।
- বঙ্গবন্ধু পোস্টাল মিউজিয়াম খুলনা স্থাপিত।
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে অবস্থিত। এটি ১৯৮২ সালে স্থাপিত হয়। ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপ ও ঠিকানা লাভ করে।
- পোষ্টাল ভোটিং কি? এটাও জেনে রাখুনঃ যখন কোন দেশের জনগণ কোন কারণে নিজ এলাকার ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে ডাকযোগে ব্যালট পেপারে তার পছন্দনীয় প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো হয় তখন তাকে পোস্টাল ভোটিং বলে। বাংলাদেশের আরপিও ধারা ২৭ ও ভোটার তালিকা আইনের ৮ম ধারা অনুযায়ী একজন নাগরিক চাইলে পোষ্টাল ভোটিং সুবিধা নিতে পারবেন।

Related Questions

ক) চিরসুখী
খ) দশানন
গ) গায়েহলুদ
ঘ) কানাকানি
Note :

কানাকানি হলো ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস

সমাসবদ্ধ শব্দ: কানাকানি

ব্যাসবাক্য: কানে কানে যে কথা

ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায়: ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাপড়া বা আদান-প্রদান (যেমন- টানাটানি, মারামারি, কোলাকুলি, হাতাহাতি) বোঝাতে এই সমাস হয়। এ ধরনের সমাসে সাধারণত পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত থাকে (কানে -> কান + আ-কানি = কানাকানি)।

ক) আকাশ
খ) ছাড়পত্র
গ) মৃত্তিকা
ঘ) সাগর
Note :

ছাড়পত্র একটি সমাসবদ্ধ পদ। ছাড়ার নিমিত্ত বা জন্য পত্র ,পঞ্চমী/অপাদান তৎপুরুষ সমাস l

ক) ছেলেধরা
খ) প্রতিবাদ
গ) বিলাতফেরত
ঘ) উপগ্রহ
Note :

ছেলেধরা একটি  উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো: ছেলেকে ধরে যে। এখানে 'ছেলে' হলো কর্মকারক এবং 'ধরা' হলো কৃদন্ত পদ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলে এবং উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।

ক) বিশেষ্য
খ) সমাস
গ) অব্যয়
ঘ) প্রাতিপদিক
Note :

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।

প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।

যেমন -  ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।

ক) অপাদানে ৭মী
খ) করণ কারকে ৭মী
গ) অধিকরণে ৭মী
ঘ) কর্মকারকে ৭মী
Note :

'পাপে বিরত থাকো'  -  অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি । হতে, থেকে  -  থাকলে অপাদান কারক হয়। আবার যা থেকে  কিছু বিচ্যুত , গৃহীত , জাত, বিরত, আরম্ভ , দূরীভূত  রক্ষিত ও ভীত প্রকাশক বাক্য অপাদান কারক হয়।

ক) বাদী
খ) সভানেত্রী
গ) জেলেনী
ঘ) পেত্নী
Note :

‘নি’ প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
জেলে-জেলেনি,
বেদে-বেদেনি,
ধােপ-ধােপানি। 
 বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: সম্রাট- সম্রাজ্ঞী, রাজা-রাণী, যুবক-যুবতী, শ্বশুর-শ্বশ্রূ, নর-নারী, বন্ধু-বান্ধবী, দেবর- জা, শিক্ষক- শিক্ষয়িত্রী, স্বামী-স্ত্রী, পতি-পত্নী, সভাপতি-সভানেত্রী।
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: পেত্নী

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন