‘জায়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক) অর্ধাঙ্গিনী
খ) কন্যা
গ) নন্দিনী
ঘ) ভাগনী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

  'জায়া' শব্দের সমার্থক শব্দ 'অর্ধাঙ্গী' । এরুপ -ভার্যা , পত্নী , বধূ, বউ , গৃহিনী , গিন্নি, ঘরণি, বিবি, বেগম,পরিবার।
-  কন্যার সমার্থক শব্দ নন্দিনী, মেয়ে , তনয়া, দুহিতা, ঝি, বেটি ।
- 'ভগিনী' শব্দে সমার্থক হলো বোন।

Related Questions

ক) অভাব
খ) স্বভাব
গ) অনুভাব
ঘ) তিরোভাব
Note :

আবির্ভাব' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো প্রত্যক্ষীকরণ, প্রকাশ, উদয় বা সামনে আসা
- এর বিপরীত শব্দটি হলো 'তিরোভাব', যার অর্থ অদৃশ্য হওয়া, অন্তর্ধান, লুকিয়ে পড়া বা চক্রের আড়ালে চলে যাওয়া
- প্রদত্ত অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে 'অভাব' অর্থ অনটন বা শূন্যতা
- 'স্বভাব' অর্থ প্রকৃতি বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
- 'অনুভাব' অর্থ যা ভাব বা অনুভূতিকে প্রকাশ করে।
- সুতরাং, অর্থের বিচারে 'আবির্ভাব' -এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'তিরোভাব'

ক) পাঞ্জাব
খ) ফরাসি
গ) গুজরাটি
ঘ) পর্তুগিজ
Note :

- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ: পাউরুটি, আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, পেয়ারা, আতা, আলপিন, আলকাতরা, আলমারি, কেদারা, কামরা, কেরানী, গুদাম, জানালা, পাদ্রি, ইংরেজ, তোয়ালে ইত্যাদি।

ক) সংস্কৃত
খ) আরবি
গ) ফারসি
ঘ) তুর্কি
Note :

আরবি ‘কলম' শব্দটি গ্রিক ‘kālamos' ও ল্যাটিন 'calamus' শব্দ থেকে এসেছে।

-গ্রিক 'kālamos ও ল্যাটিন ‘calamus’ উভয়ের মৌলিক অর্থ ‘নল’ (reed) বা ‘বেত্র’ (cane) এবং গৌণার্থ ‘নলের কলম' (reed-pen)।

ক) তত্ত্ববোদ্ধিনী
খ) সবুজপত্র
গ) কল্লোল
ঘ) ধুমকেতু
Note :

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
- ১৯১৪ সালে এর প্রথম প্রকাশ ঘটে।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরসীম।
- সাধু গদ্যরীতির পরিবর্তে চলিত গদ্যরীতি ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠায় এটির অবদান তাৎপর্যপূর্ণ।
- রবীন্দ্রনাথ নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন এবং পরে তা তিনি চর্চা করেন।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবলী রীতি’ নামে যে মৌখিক ভাষারীতি সাহিত্যে প্রচলন করে যুগান্তর এনেছিলেন তার প্রচারের মাধ্যম ছিল এই সবুজপত্র।
- সাহিত্যজগতে এ পত্রিকা ‘সবুজপত্র গোষ্ঠী’ তৈরি করতে সক্ষম হয়।

ক) সাধুরীতি
খ) চলিতরীতি
গ) কথ্যরীতি
ঘ) লেখ্যরীতি
Note :

আবর্তক শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, সাধুরীতি শব্দগুলোর মধ্যে তৎসম শব্দের প্রাধান্য বেশি। সাধুরীতি হলো এক ধরনের ভাষার রীতি যা সাধারণভাবে সংস্কৃত ভাষার কাছাকাছি এবং এতে তৎসম শব্দ ব্যবহার করা হয়।

অন্য রীতিগুলোর চেয়ে সাধুরীতি তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি হয়, কারণ এটি উচ্চ সাহিত্যিক রূপগুলোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

AI-এর ব্যাখ্যায় ভুল থাকতে পারে।

ক) অব্যয়
খ) সম্বোধন পদ
গ) সর্বনাম
ঘ) ক্রিয়া
Note :

সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন