পাউরুটি কোন ভাষার শব্দ?
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ: পাউরুটি, আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, পেয়ারা, আতা, আলপিন, আলকাতরা, আলমারি, কেদারা, কামরা, কেরানী, গুদাম, জানালা, পাদ্রি, ইংরেজ, তোয়ালে ইত্যাদি।
Related Questions
আরবি ‘কলম' শব্দটি গ্রিক ‘kālamos' ও ল্যাটিন 'calamus' শব্দ থেকে এসেছে।
-গ্রিক 'kālamos ও ল্যাটিন ‘calamus’ উভয়ের মৌলিক অর্থ ‘নল’ (reed) বা ‘বেত্র’ (cane) এবং গৌণার্থ ‘নলের কলম' (reed-pen)।
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
- ১৯১৪ সালে এর প্রথম প্রকাশ ঘটে।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরসীম।
- সাধু গদ্যরীতির পরিবর্তে চলিত গদ্যরীতি ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠায় এটির অবদান তাৎপর্যপূর্ণ।
- রবীন্দ্রনাথ নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন এবং পরে তা তিনি চর্চা করেন।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবলী রীতি’ নামে যে মৌখিক ভাষারীতি সাহিত্যে প্রচলন করে যুগান্তর এনেছিলেন তার প্রচারের মাধ্যম ছিল এই সবুজপত্র।
- সাহিত্যজগতে এ পত্রিকা ‘সবুজপত্র গোষ্ঠী’ তৈরি করতে সক্ষম হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সাধুরীতিতে তৎসম শব্দের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি।
সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন/ প্রথম কাব্য- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য।
- এটি আদি মধ্যযুগীয় তথা প্রাক্-চৈতন্য যুগে বাংলা ভাষায় লেখা একমাত্র আখ্যানকাব্য।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি।
- কাব্যের প্রধান তিন চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
- উল্লেখ্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন/শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন / আদি নিদর্শন / আদি গ্রন্থ / প্রাচীনতম পদ সংকলন / বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য / বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ - চর্যাপদ।
বাংলা ভাষার মূল উৎস হচ্ছে প্রাকৃত ভাষা। প্রাকৃত ভাষা বলতে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে লোকমুখে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষাগুলোকে বোঝায়। প্রাকৃত ভাষাগুলো ইন্দো ইউরোপীয় পরিবারের ইন্দো আর্য শাখার প্রাচীন নিদর্শন।
জব সলুশন